
সামনেই জন্মাষ্টমী। আর এইদিনে ঘরে ঘরে নাড়ু গোপালকে আদর অ্যাপায়ন করতে নানান ধরনের ভোগ অর্পণ করা হয়। আগামী ৪ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার জন্মাষ্টমী পালন করা হবে। আর এইদিনে গোপালের প্রিয় খাবারগুলিকে ভোগ হিসাবে দেওয়া হয়। যে সব মন্দিরে গোপালের জন্মতিথি বিশেষ ভাবে পালিত হয়, সেখানে মহা সমারোহে শুরু হয়ে গিয়েছে প্রসাদ তৈরির তোড়জোড়। অনেক বাড়িতেই নিষ্ঠার সঙ্গে পালিত হয় এই উৎসব। গোপালের প্রিয় ভোগের মধ্যে অন্যতম মাখন, মিছরি, তালের বড়া, লুচি, মালপোয়া আর অবশ্যই নাড়ু। এই সময় গুড় ভাল না পাওয়ার কারণে চিনির নাডু তৈরি করেই গোপালের ভোগে দেওয়া হয়। আসুন জেনে নিন সেই নাড়ুর রেসিপি।
উপকরণ
নারকেল (মাঝারি আকারের, পরিষ্কার নারকেল ২-৩টি)
চিনি-নারকেলের পরিমাপ অনুযায়ী
ছোট এলাচ গুঁড়ো ১ চা চামচ
ঘি
পদ্ধতি
প্রথমে নারকেলগুলি ভেঙে ভিতরের শাঁস কুরে বের করে নিন। খেয়াল রাখবেন, নারকেলের ভিতরের কালো অংশ যেন তাতে না থাকে।
একটি বড় কড়ায় নারকেল কোরা এবং চিনি মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি প্রায় ৩০ মিনিট ধরে হালকা আঁচে নাড়তে থাকুন। চিনি এবং নারকেল একসঙ্গে মিশে নরম হয়ে আসবে।
এ বার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল নারকেলের মিশ্রণটি ভাল ভাবে, ঠিকমতো তৈরি করা। আঁচ মাঝারি রেখে ক্রমাগত নাড়তে থাকুন। প্রায় ৩০-৪০ মিনিট পর মিশ্রণটি আঠালো হয়ে আসবে। চিনির রস নারকেলের সঙ্গে পুরোপুরি মিশে শুকিয়ে এলে কড়া থেকে ধোঁয়া বেরোতে শুরু করবে। এই অবস্থায় মিশ্রণটি কড়া থেকে সরিয়ে ফেলুন।
মিশ্রণটি হালকা গরম থাকা অবস্থাতেই হাতে অল্প অল্প করে নিয়ে গোল গোল করে নাড়ুর আকার দিন। গরম অবস্থায় নাড়ু পাকালে সহজে গোল হয় এবং ভেঙে যায় না। প্রয়োজনে হাতে সামান্য ঘি মেখে নিতে পারেন। এতে নাড়ুর মিশ্রণ হাতে লেগে যাবে না।
সব নাড়ু তৈরি হয়ে গেলে একটি থালায় সাজিয়ে রাখুন এবং পুরোপুরি ঠান্ডা হতে দিন। ঠান্ডা হলে নাড়ু শক্ত ও মজবুত হয়ে যাবে।
এবার গোপালকে ভোগ হিসাবে দিন এই চিনির নাড়ু।