Advertisement

Niramish Pathar Mangsho Recipe: কালীপুজোয় রাঁধুন বনেদি বাড়ির মতো নিরামিষ পাঁঠার ঝোল, রইল সহজ রেসিপি

কালীপুজোয় অনেক বনেদি বাড়িতেই নিরামিষ খাবারের রীতি প্রচলিত রয়েছে। তবে নিরামিষ রান্না মানেই যে স্বাদে কোনও আপস করতে হবে, এমনটা নয়। পেঁয়াজ-রসুন ছাড়া পাঁঠার মাংস রান্নারও চল রয়েছে বহু পরিবারে। তাকে বলা হয় নিরামিষ পাঁঠার মাংস। কী ভাবে রাঁধতে হয় জানেন?

নিরামিষ পাঁঠার ঝোলের রেসিপিনিরামিষ পাঁঠার ঝোলের রেসিপি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 04 Nov 2026,
  • अपडेटेड 3:34 PM IST
  • কালীপুজোয় অনেক বনেদি বাড়িতেই নিরামিষ খাবারের রীতি
  • পেঁয়াজ-রসুন ছাড়া পাঁঠার মাংস রান্নারও চল রয়েছে
  • তাকে বলা হয় নিরামিষ পাঁঠার মাংস, জানুন রেসিপি

কালীপুজোয় অনেক বনেদি বাড়িতেই নিরামিষ খাবারের রীতি প্রচলিত রয়েছে। তবে নিরামিষ রান্না মানেই যে স্বাদে কোনও আপস করতে হবে, এমনটা নয়। পেঁয়াজ-রসুন ছাড়া পাঁঠার মাংস রান্নারও চল রয়েছে বহু পরিবারে। তাকে বলা হয় নিরামিষ পাঁঠার মাংস। আদা, জিরে, গরমমশলা এবং কয়েকটি সাধারণ উপকরণের সাহায্যেই তৈরি করা যায় সুস্বাদু এই নিরামিষ পাঁঠার ঝোল।

এই রান্নায় পেঁয়াজ ও রসুন ব্যবহার করা হবে না। বরং মশলার সঠিক মিশ্রণ এবং ধীরে ধীরে কষানোর পদ্ধতিই এনে দেবে রান্নার আসল স্বাদ।

নিরামিষ পাঁঠার মাংস বানাতে কী কী উপকরণ লাগবে?

৪-৫ জনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ:
> পাঁঠার মাংস – ৫০০ গ্রাম
> আলু – ৩-৪টি
> টক দই – ৪ টেবিল চামচ
> আদা বাটা – ২ টেবিল চামচ
> কাঁচালঙ্কা বাটা – ১ টেবিল চামচ
> সর্ষের তেল – ৪-৫ টেবিল চামচ
> ঘি – ১ টেবিল চামচ
> হলুদ গুঁড়ো – ১ চা চামচ
> জিরে গুঁড়ো – ১ চা চামচ
> ধনে গুঁড়ো – ১ চা চামচ
> কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো – ১ চা চামচ
> গোলমরিচ গুঁড়ো – আধ চা চামচ
> গোটা জিরে – আধ চা চামচ
> তেজপাতা – ২টি
> শুকনো লঙ্কা – ২টি
> দারচিনি – ১ টুকরো
> এলাচ – ৩টি
> লবঙ্গ – ৩টি
> নুন ও সামান্য চিনি – স্বাদমতো
> গরমমশলা গুঁড়ো – আধ চা চামচ
> গরম জল – প্রয়োজনমতো

কীভাবে বানাবেন নিরামিষ পাঁঠার মাংস?
প্রথমে পাঁঠার মাংস ভাল করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন। এবার একটি বড় পাত্রে মাংসের সঙ্গে টক দই, আদা বাটা, হলুদ গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো, গোলমরিচ গুঁড়ো এবং পরিমাণমতো নুন মিশিয়ে নিন। সামান্য সর্ষের তেলও দিয়ে দিন। সবকিছু ভাল করে মাখিয়ে অন্তত ১-২ ঘণ্টা ম্যারিনেট করে রাখুন।

এবার কড়াইতে সর্ষের তেল গরম করুন। তেলের কাঁচা গন্ধ চলে গেলে তাতে সামান্য ঘি দিন। এরপর গোটা জিরে, তেজপাতা, শুকনো লঙ্কা, দারচিনি, এলাচ ও লবঙ্গ দিয়ে ভাল করে নাড়াচাড়া করুন। সামান্য চিনি দিলে রান্নায় সুন্দর রং আসবে।

Advertisement

ফোড়নের সুন্দর গন্ধ বেরোলে আদা বাটা ও কাঁচালঙ্কা বাটা দিয়ে দিন। মশলা ভাল করে নাড়াচাড়া করে ম্যারিনেট করা মাংস কড়াইতে ঢেলে দিন। এবার মাঝারি আঁচে ধৈর্য ধরে মাংস কষাতে থাকুন। মাংস থেকে তেল ছাড়তে শুরু করলে বুঝবেন কষানো ঠিকমতো হয়েছে।

অন্য একটি পাত্রে আলুগুলি হাল্কা ভেজে তুলে রাখুন। মাংস ভাল করে কষানো হয়ে গেলে প্রেশার কুকারে ঢেলে দিন। এবার ভাজা আলু এবং পরিমাণমতো গরম জল মিশিয়ে দিন। কুকারের ঢাকনা বন্ধ করে মাংস নরম হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। সাধারণত ৪-৬টি সিটি লাগতে পারে। তবে মাংসের ধরন ও কুকারের উপর নির্ভর করে সময় কমবেশি হতে পারে।

মাংস সেদ্ধ হয়ে গেলে কুকারের ঢাকনা খুলে দেখুন ঝোলের ঘনত্ব ঠিক আছে কি না। প্রয়োজন হলে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে নিন। সবশেষে গরমমশলা গুঁড়ো ও এক চামচ ঘি ছড়িয়ে দিন। এবার আরও ৫ মিনিট ঢাকা দিয়ে রেখে গ্যাস বন্ধ করে দিন।

উল্লেখ্য,মাংস যত ভাল ভাবে কষানো হবে, রান্নার স্বাদ তত ভাল হবে। ঝোল তৈরি জন্য ঠান্ডা জলের পরিবর্তে গরম জল ব্যবহার করুন। রান্নার শেষে ঘি ও গরমমশলা দিলে সুন্দর সুগন্ধ পাওয়া যায়। মাংস রান্না হয়ে গেলে অন্তত ১০ মিনিট ঢাকা দিয়ে রাখুন। এতে মশলার স্বাদ মাংসের মধ্যে ভাল ভাবে মিশে যাবে।

একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি: নিরামিষ পাঁঠার মাংস আসলে সম্পূর্ণ নিরামিষ খাবার নয়। পাঁঠার মাংস দিয়েই এই পদ তৈরি হয়। এখানে নিরামিষ বলতে পেঁয়াজ ও রসুন ছাড়া রান্নার বিশেষ পদ্ধতিকে বোঝানো হয়েছে। বাংলার বনেদি বাড়ি ও বিভিন্ন কালীবাড়ির ভোগের রান্নার সঙ্গে এই পদটির দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য জড়িয়ে রয়েছে। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement