
Painkillers Risks: শরীরের ব্যথা (Body Ache) থেকে মুক্তি পেতে প্রায়শই ব্যথানাশক (Painkiller) ওষুধ খেয়ে থাকেন অনেকেই। আপনি কি জানেন যে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই নির্বিচারে ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করা স্বাস্থ্যের জন্য কতটা মারাত্মক হতে পারে? ৭০ হাজার মহিলার (Women) ওপর একটি গবেষণা (Research) করা হয়। সেই গবেষণা অনুসারে, ব্যথানাশক ওষুধের প্রতিদিন ব্যবহার মহিলাদের কানের সমস্যাকে বাড়িয়ে তুলতে পারে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বার্মিংহাম এবং মহিলা হাসপাতালের গবেষকদের দ্বারা পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে মহিলারা হামেশাই ব্যথানাশক ওষুধ ব্যবহার করতেন। জানা যায়, প্রায়শই ব্যথানাশক ওষুধ খেলে তাদের স্বাভাবিকের তুলনায় টিনিটাস হওয়ার সম্ভাবনা ২০ শতাংশ বেশি।
গবেষণার প্রধান লেখক ডঃ শ্যারন কারহান বলেন, 'আমাদের গবেষণায় বলা হয়েছে যারা ব্যথানাশক ওষুধ ব্যবহার করেন তাদের টিনিটাসের ঝুঁকি বেশি থাকে।'
কী বলছে গবেষণা?
এই গবেষণাটি জেনারেল ইন্টারনাল মেডিসিন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। এটি অ্যাডভিল এবং টাইলেনলের মতো ব্যথানাশক ওষুধের পাশাপাশি এনএসএআইডি এবং আলেভের মতো প্রদাহবিরোধী ওষুধের তালিকা দেয়। সমীক্ষা অনুসারে, এমনকি সপ্তাহে ছয় বা সাত বার অ্যাসপিরিনের ডোজ গ্রহণ করলে টিনিটাসের (Tinnitus) ঝুঁকি ২০ শতাংশ বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞ বলেছেন, ব্যথা উপশমকারী ওষুধগুলি এড়িয়ে যাওয়া টিনিটাসের লক্ষণগুলি হ্রাস করে কিনা তা জানা গুরুত্বপূর্ণ।
তবে ঠান্ডা, হ্যাংওভার, মচকে যাওয়া বা দাঁতের ব্যথার জন্য প্যারাসিটামলের (Paracitamol) মতো ওষুধ খাওয়া যাবে না বলে গবেষণায় এমন কোনও দাবি করা হয়নি। এই গবেষণাটি শুধুমাত্র প্রতিদিন বা ঘন ঘন ব্যথা উপশমকারী ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেছে। ব্যথানাশক ওষুধ নিয়মিত ব্যবহারে কোনও সমস্যা নেই। ২০১৮ সালে ব্রিটিশ টিনিটাস অ্যাসোসিয়েশনের অনুমান অনুসারে, ব্রিটেন প্রায় ৬ মিলিয়ন মানুষ কান সম্পর্কিত এই সমস্যার শিকার। সম্ভবত এই সংখ্যা আরও বেড়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ এটি দ্বারা প্রভাবিত হয়।
টিনিটাস (Tinnitus) কী?
কানে (Ear) টিনিটাসের (Tinnitus) সমস্যা দেখা দেয়। এতে কানে বাজা, গুনগুন হওয়া, কান কাঁপা বা কানে বিভিন্ন ধরনের শব্দ হওয়াকে টিনিটাস বলে। এমন শব্দ কানে অনবরত অনুরণিত হওয়া একেবারেই ভালো নয়। জীবনের একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে টিনিটাস কানে বড়সড় সমস্যায় ফেলতে পারে।