
অনেক বাবা-মা তাদের সন্তানের সাফলাকে শুধুমাত্র তার পড়াশোনার ফলাফলের ভিত্তিতেই বিচার করেন। তাই, ভালো ফল করার জন্য তারা তাদের সন্তানকে আরও কঠোরভাবে পড়াশোনা করতে চাপ দেন। সম্ভবত ভালো ফল-এর পরিবর্তে 'সেরা' বলাই শ্রেয়।
বাবা-মায়েরা প্রায়শই চান যে তাদের সন্তানরা ভালো নম্বর পেলে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা এমনকি এমবিএ স্নাতক থেক। তবে, বাবা-মাকে বুঝতে হবে যে শুধু ভালো নম্বর পেলেই একটি শিশু সফল হয় না। একটি সফল জীবনের জন্য শিশুর মধ্যে কিছু নির্দিষ্ট গুণাবলী থাকা প্রয়োজন।
ব্যর্থতা কীভাবে সামলাবেন:
আপনাকে আপনার সন্তানকে শেখাতে হবে যে জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে সাফল্য অপরিস্কর্য নয়। কোনো সন্তান ব্যর্থতার সম্মুখীন হলে, তাকে এতে হতাশ না হয়ে বরং তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে এবং পরবর্তীতে নিজের ভুল শুধরে নেওয়ার ক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে।
অপমানের সঙ্গে মানিয়ে নিতে শিখুন
সমাজে এমন অনেক মানুষ থাকে যাদের মাঝে একটি শিশুকে তার জীবন কাটাতে হয়। তাকে নানা ধরনের পরিস্থিতিরও সম্মুখীন হতে হতে পারে। কখনও কখনও, কোনো ভুলের কারণে কেউ তাকে অপমান করতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে, আপনার সন্তানকে শেখান কীভাবে সেইঅপমানের দ্বারা প্রভাবিত হওয়া এড়ানো যায় এবং কীভাবে তার মোকাবিলা করা যায়।
মন খুলে কথা বলুন
প্রায়শই, যারা অন্যদের কাছে নিজেদের খোলাখুলিভাবে প্রকাশ করতে পারেন না, তারা তাদের চিন্তাভাবনা বুঝতে পারেন না। শুধু তাই নয়, কেউই তাদের চিন্তাভাবনা বুঝতে পারে না। তাই, শিশুদের অন্যদের কাছে তাদের মতামত খোলাখুলিভাবে প্রকাশ করার ক্ষমতা থাকা উচিত। এর সুবিধা হলো, যখনই কোনো শিশু অন্য মানুষের মাঝে থাকবে, সে অন্যদের সঙ্গে তার মতামত ভাগ করে নিতে পারবে।
এছড়াও, আপনার সন্তানকে শেখান যে, অন্যেরা তার মতামতের সঙ্গে একমত না হলেই যে সে ভুল, এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই। হতে পারে তার দৃষ্টিভঙ্গিটাই ভুল, অথবা সে হয়তো তার মতামতটি গ্রহণ করতে চাইছেনা। তাই, সে সেটিকে বৈধ বলে মেনে নিচ্ছেনা।