Advertisement

Body Cooling Spices: ৪০ ডিগ্রিতেও শরীর এসির মতো শীতল থাকবে! এই ৩ মশলা হিটস্ট্রোক,পেটের অস্বস্তি দূর করে

Summer Healthy Spices: গ্রীষ্মকালে আমাদের খাদ্যাভ্যাসের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া উচিত। কারণ আমরা যা খাই, তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে- অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিকভাবে আমাদের শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে।

মশলা মশলা
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 28 Apr 2026,
  • अपडेटेड 1:47 PM IST

এপ্রিল ও মে মাসের তীব্র দাবদাহের পূর্বাভাস রয়েছে আবহাওয়া দফতরের। তাপমাত্রা যখন ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যায়, তখন কেবল বাইরের তাপই নয়, শরীরের ভেতরের তাপও সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। গ্রীষ্মকালে আমাদের খাদ্যাভ্যাসের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া উচিত। কারণ আমরা যা খাই, তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে- অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিকভাবে আমাদের শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে। দিনের বেলায় ক্লান্তি, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া, জলশূন্যতা এবং বুক জ্বালাপোড়ার মতো সমস্যাগুলো তখন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।

ঠান্ডা জল বা এসি-ই যথেষ্ট নয়; শরীরকে ভেতর থেকে শীতল রাখাটাও অত্যন্ত জরুরি। আমাদের রান্নাঘরেই এমন কিছু কার্যকর মশলা ও ভেষজ উপাদান রয়েছে, যা প্রাকৃতিকভাবে শরীরকে শীতল রাখে এবং তাপজনিত ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। জেনে নিন, রান্নাঘরের এমন তিনটি মশলা সম্পর্কে, যা গ্রীষ্মকালে খাওয়া সবচেয়ে উপকারী।

মৌরি

সাধারণত খাবারের পর মুখশুদ্ধি (মাউথ ফ্রেশনার) হিসেবে মৌরি খাওয়া হয়। তবে এর উপকারিতা শুধুমাত্র সেখানেই সীমাবদ্ধ নয়। মৌরির রয়েছে শীতলকারী গুণ, যা শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপ প্রশমিত করে। এটি বুক জ্বালাপোড়া, অ্যাসিডিটি বা অম্লতা এবং পেট ফাঁপার সমস্যা কমাতেও সহায়তা করে।

সকালে খালি পেটে মৌরি ভেজানো জল পান করলে তা কেবল শরীরকে আর্দ্রই রাখে না, বরং শরীরের বিপাকক্রিয়া বা মেটাবলিজমকেও সুষম রাখে। এক চা চামচ মৌরি সারারাত জলে ভিজিয়ে রাখুন; সকালে সেই জল ছেঁকে পান করুন। এই সহজ অভ্যাসটি আপনাকে সারাদিন সতেজ ও চনমনে রাখতে সাহায্য করবে।

ধনে

ধনের পাতা এবং বীজ- উভয়ই শীতলকারী গুণের জন্য সুপরিচিত। এটি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বা টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে এবং প্রাকৃতিকভাবে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। গ্রীষ্মকালে ধনে ভেজানো জল কিংবা ধনে গুঁড়ো মেশানো ঘোল (বাটারমিল্ক) পান করা অত্যন্ত উপকারী। এটি কেবল শরীরকেই শীতল রাখে না, বরং হজমশক্তির উন্নতি ঘটায় এবং হিট স্ট্রোক বা লু-এর ঝুঁকি কমায়।

Advertisement

পুদিনা

গ্রীষ্মকালে সতেজ থাকার জন্য পুদিনাকে একটি চমৎকার সঙ্গী হিসেবে গণ্য করা হয়। পুদিনায় বিদ্যমান 'মেন্থল' উপাদানটি শরীরের শীতল সংবেদকগুলোকে সক্রিয় করে তোলে, যার ফলে তাৎক্ষণিকভাবে শরীরে এক ধরণের শীতল অনুভূতি তৈরি হয়। তাই খাবারে পুদিনার ব্যবহার শরীরকে হালকা ও শীতল অনুভব করতে সাহায্য করে। আপনি বিভিন্ন উপায়ে আপনার দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে পুদিনাকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন—যেমন পুদিনার চাটনি, রায়তা কিংবা লেবুর জলে পুদিনা পাতা মিশিয়ে। গ্রীষ্মকালে বাইরে বের হওয়ার আগে পুদিনার শরবত পান করলে তা আপনাকে 'হিট স্ট্রোক' বা লু-এর প্রকোপ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করতে পারে।

এই পরামর্শ অবশ্যই মেনে চলুন

আপনার দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে এই তিনটি মশলাকে অন্তর্ভুক্ত করলে তা কেবল শরীরকে ভেতর থেকে শীতল রাখতেই সাহায্য করে না, বরং শরীরের ঘামের দুর্গন্ধ এবং ক্লান্তি দূর করতেও সহায়তা করে। গ্রীষ্মকালে নিজেকে সুস্থ ও কর্মচঞ্চল রাখতে এই সহজ ঘরোয়া প্রতিকারগুলো অত্যন্ত কার্যকর প্রমাণিত হতে পারে।


 

Read more!
Advertisement
Advertisement