
যে কোনও উৎসব মানেই পেটপুজো। আর সেই উৎসব যদি হয় পয়লা বৈশাখ তাহলে তো কথাই নেই। বাঙালির যে কোনও উৎসব উদর পূর্তি ছাড়া অসম্পূর্ণ। আর বাঙালির উৎসবে মেনুতে সাবেকিয়ানার ছোঁয়া থাকতেই হবে। নববর্ষ মানেই বাসন্তী পোলাও আর সঙ্গে কষা করে মাটন। ব্যস আর কিচ্ছু দরকার পড়বে না। আসুন জেনে নিন একেবারে ঘরোয়া রেসিপি।
বাসন্তী পোলাও-এর জন্য লাগছে
গোবিন্দভোগ চাল (৫০০ গ্রাম), ঘি (৩ চামচ), আদা বাটা, গরম মশলা গুঁড়ো, কাজু, কিসমিস, নুন, চিনি (স্বাদমতো), সামান্য হলুদ এবং তেজপাতা।
পদ্ধতি
চাল ধুয়ে ভালো করে জল ঝরিয়ে শুকনো করে নিন। এবার চালের সাথে আদা বাটা, হলুদ, সামান্য ঘি এবং গরম মশলা মাখিয়ে অন্তত এক ঘণ্টা রেখে দিন। এরপর কড়াইতে ঘি গরম করে কাজু ও কিসমিস ভেজে তুলে নিন। ওই ঘিতেই তেজপাতা ফোরন দিয়ে ম্যারিনেট করা চাল দিয়ে ভালো করে ভাজুন। চাল ভাজা হলে চালের দ্বিগুণ পরিমাণ গরম জল দিন। নুন ও চিনি দিয়ে ঢাকা দিন। জল শুকিয়ে এলে ওপর থেকে ঘি ও ভাজা কাজু-কিসমিস ছড়িয়ে দমে রাখুন ৫-১০ মিনিট। তৈরি আপনার সুগন্ধি বাসন্তী পোলাও।
কষা মাংসের জন্য লাগবে
কচি পাঠার মাংস (১ কেজি), পেঁয়াজ কুচি, আদা-রসুন বাটা, টক দই (১০০ গ্রাম), শুকনো লঙ্কার গুঁড়ো, কাশ্মীরি লঙ্কা, হলুদ, জিরে ও ধনে গুঁড়ো, গোটা গরম মশলা, সরষের তেল এবং কয়েক টুকরো ডুমো করে কাটা আলু।
প্রণালী
প্রথমে মাংসের সাথে টক দই, হলুদ, সরষের তেল এবং সামান্য নুন মাখিয়ে অন্তত ২ ঘণ্টা ম্যারিনেট করে রাখুন। কড়াইতে সরষের তেল গরম করে আলুগুলো লাল করে ভেজে তুলে নিন। ওই তেলেই চিনি (রঙের জন্য) ও গোটা গরম মশলা ফোরন দিয়ে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে নাড়তে থাকুন। পেঁয়াজ লাল হলে আদা-রসুন বাটা ও বাকি সব গুঁড়ো মশলা দিয়ে কষান যতক্ষণ না তেল ছাড়ছে। এরপর ম্যারিনেট করা মাংস দিয়ে দিন। অল্প আঁচে সময় নিয়ে কষাতে হবে। মাংস থেকে জল ছাড়লে ভাজা আলুগুলো দিয়ে দিন। শেষে পরিমাণমতো গরম জল দিয়ে প্রেশার কুকারে ৩-৪টি সিটি দিন। ওপর থেকে সামান্য শাহী গরম মশলা ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।