
কোভিডের পর গোটা দেশজুড়ে বাড়ছে হাম আক্রান্তের সংখ্যা। সংক্রমিত হচ্ছে শিশুরা। কর্নাটক, মহারাষ্ট্রে বেড়ে গিয়েছে মৃত্যুহার। এ রাজ্যেও বেড়েছে হামের সংক্রমণ। এ রাজ্যেও হাম আক্রান্তের হদিস মিলেছে। তাই হাম রোধে শুরু হচ্ছে টিকাকরণ কর্মসূচি।
৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের দেওয়া হবে হামের টিকা। কেন্দ্র-রাজ্য যৌথ উদ্যোগে শুরু হচ্ছে। ৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে টিকাকরণ। চলবে ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ২ কোটি ৩০ লক্ষ শিশুকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। জানা গিয়েছে, টিকাকরণ কর্মসূচির জন্য ইতিমধ্যেই রাজ্যে টলে এসেছে ১ কোটি ডোজ। রাখা হয়েছে বাগবাজারের কেন্দ্রীয় টিকাকরণ কেন্দ্রে। শূন্যের নীচে ১৫ ডিগ্রি তাপমাত্রায় রাখা হয়েছে হামের টিকা।
বলে রাখি, রাজ্যে রুবেলা ও হামের প্রকোপ বেড়েছে বলে কয়েক সপ্তাহ আগেই খবর মিলেছিল। হু-র পরিসংখ্যানও বলছে, বিশ্বজুড়ে বেড়েছে হাম ও পক্সে আক্রান্তের সংখ্যা। ভারতেও বাড়ছে হামের সংক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে তৎপর হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। রাজ্যগুলিকে চিঠি পাঠিয়ে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হয়।চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, হু ও ইউনিসেফের ২০২১-এর তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ভারতে হাম ও রুবেলা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ পেয়েছে ৮৯ শতাংশ শিশু। ৮২ শতাংশ পেয়েছে দ্বিতীয় ডোজ। বলা হয়েছে, ২০২৩-এর ডিসেম্বরের মধ্যে হাম ও রুবেলার টিকাকরণ ১০০ শতাংশ শেষ করতে হবে। ৯ মাস থেকে ৫ বছর বয়সীদের টিকা দিতে হবে রাজ্যগুলিকে। এজন্য টাস্কফোর্স গঠন করতে হবে।
অতিসম্প্রতি হামের প্রকোপ বেড়েছে বিহার, গুজরাত, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড, কেরল ও মহারাষ্ট্রে। হাম ও রুবেলায় আক্রান্ত হয়ে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে মুম্বইয়ের। কেন হঠাৎ করে বাড়ল হাম? জানা গিয়েছে, গত দুবছর কোভিড আবহে হামের টিকাকরণ প্রভাবিত হয়েছে। তার ফলে বাড়ছে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা।
৫ থেকে ১০ বছরের শিশুরাই হামে বেশি আক্রান্ত হয়। ৬ মাস বয়সের কম শিশুদের হাম হলে প্রাণসংশয় দেখা দিতে পারে। হামের টিকা দেওয়া হয় ৯ মাসের শিশুদের। টিকা নেওয়া থাকলে ভাইরাসের সংক্রমণক্ষমতা কমে যায়।
আরও পড়ুন- বয়স অনুযায়ী কতটা ওজন থাকলে ফিট? ওয়েট চার্ট