
অনেক নিয়ম মেনে চলতে হয় ডায়াবেটিক রোগীদের। রাশ টানতে হয় খাওয়াদাওয়ায়। রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে শুরু করলে ইচ্ছামতো সব খাবার খাওয়া যায় না। সবার আগেই তালিকা থেকে বাদ দিতে হয় মিষ্টি। সেই সঙ্গে বাইরের প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া নৈব নৈব চ। তাল-ঝাল-মশলাও রাখতে হয় নিয়ন্ত্রণে। তবে ডায়েটে কি ফল রাখতে পারেন সুগারের রোগীরা? কোন কোন ফল খেতে পারেন এঁরা?
খাওয়াদাওয়ায় নিয়ম মেনে না চললে সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। যে কোনও অসুস্থতাই হোক, নিয়ম করে ফল খেতে বলেন চিকিৎসকেরা। ফলে রয়েছে ভিটামিন, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, ফাইবারের মতো স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী নানা উপাদান। সুগারের রোগীদের ক্ষেত্রে ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি। রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়লে সব ফল খাওয়া যায় না।
ডায়াবেটিস থাকলে ফল খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন। ফল খাওয়ার পাশাপাশি কতটা পরিমাণে খাচ্ছেন, সেটাও কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ।
চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ডায়াবিটিস থাকলে প্রতি দিন ১০০-১৫০ গ্রাম ফলের বেশি খাওয়া ঠিক হবে না। আপেল, পেয়ারা, মুসাম্বি, পেঁপে, তরমুজ, এই পাঁচটি ফল খেতে পারেন সুগারের রোগীরা। আম, আতা, কাঁঠাল, কলা, সবেদা, আঙুর, এই ফলগুলি শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। সুগারের রোগীরা ভুলেও খাবেন না এই ফলগুলি।
খালি পেটে ফল খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা আচমকা বেড়ে যেতে পারে। আবার খুব ভরা পেটে ফল খেতে নিষেধ করছেন পুষ্টিবিদরা। ফল খাওয়ার আদর্শ সময় হল সকাল। ঘুম থেকে ওঠার পর ফল খেলে তা হজম হয়ে যায় খুব তাড়াতাড়ি। সামান্য কিছু খেয়ে তার পর ফল খাওয়া যেতে পারে।
সকালের জলখাবার এবং মধ্যাহ্নভোজের মাঝে হালকা খিদে পায়। এই সময়েও ফল খেতে পারেন।