Advertisement

Safe Hill Stations In West Bengal During Rain: বর্ষায় পকেট বাঁচিয়ে নিরাপদে ডুয়ার্স-দার্জিলিং ভ্রমণের হদিশ, কোথায় যাবেন?

Safe Hill Stations In West Bengal During Rain: এবার আগে থেকেই বর্ষা নেমেছে। তবে মেঘ-বৃষ্টির মরশুমে উত্তরবঙ্গ সফরের প্রধান শর্তই হলো সতর্কতা। ঝুকিপূর্ণ অফবিট গ্রাম এড়িয়ে শহরকেন্দ্রিক বা মডারেট রুটে ঘুরলে বর্ষার পাহাড় হতে পারে আপনার জীবনের সেরা অভিজ্ঞতা।

Safe Hill Stations In West Bengal During Rain: বর্ষায় পকেট বাঁচিয়ে নিরাপদে ডুয়ার্স-দার্জিলিং ভ্রমণের হদিশ, কোথায় যাবেন?Safe Hill Stations In West Bengal During Rain: বর্ষায় পকেট বাঁচিয়ে নিরাপদে ডুয়ার্স-দার্জিলিং ভ্রমণের হদিশ, কোথায় যাবেন?
সংগ্রাম সিংহরায়
  • দার্জিলিং,
  • 08 May 2026,
  • अपडेटेड 11:03 PM IST

Safe Hill Stations In West Bengal During Rain: বর্ষার পাহাড় মানেই কি শুধুই ল্যান্ডস্লাইড আর আতঙ্ক? পর্যটন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একেবারেই নয়। বরং জুন থেকে সেপ্টেম্বর, এই চার মাস পাহাড় সেজে ওঠে এক অপার্থিব সবুজে। ঝরনাগুলো প্রাণ পায়, হোটেলের ভিড় কমে আর খরচেও মেলে ব্যাপক ছাড়। এবার আগে থেকেই বর্ষা নেমেছে। তবে মেঘ-বৃষ্টির মরশুমে উত্তরবঙ্গ সফরের প্রধান শর্তই হলো সতর্কতা। ঝুকিপূর্ণ অফবিট গ্রাম এড়িয়ে শহরকেন্দ্রিক বা মডারেট রুটে ঘুরলে বর্ষার পাহাড় হতে পারে আপনার জীবনের সেরা অভিজ্ঞতা।

নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজ
বর্ষায় পাহাড় ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ বাজি হলো খোদ দার্জিলিং শহর। ম্যালে বসে কফি আর কুয়াশার খেলা দেখা কিংবা টয় ট্রেন স্টেশনে সময় কাটানো, সবই হাতের নাগালে। এর বাইরে দ্বিতীয় পছন্দ হতে পারে কার্শিয়াং। ডাও হিল বা ঈগলস ক্র্যাগের মায়াবী কুয়াশা বর্ষায় দ্বিগুণ সুন্দর হয়ে ওঠে। আর পাইন বন ও লেকের টানে যেতে পারেন মিরিক। এই রুটের রাস্তা অন্য পাহাড়ের তুলনায় অনেক বেশি স্থিতিশীল।

ফুলের শহর ও অর্কিডের গ্রাম
ল্যান্ডস্লাইড প্রবণতা কম থাকায় কালিম্পং এই সময়ে পর্যটকদের পছন্দের তালিকায় প্রথম সারিতে থাকে। এছাড়াও পাইন জঙ্গলের জন্য লামাহাট্টা, শান্ত পরিবেশের লেপচাজগত কিংবা ব্রিটিশ আমলের বাংলোর টানে তাকদহ ঘুরে আসা যেতে পারে। হালকা বর্ষায় যারা একটু নির্জনতা পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য তিনচুলে, সিটং বা চাতকপুর হতে পারে আদর্শ ঠিকানা। তবে চাতকপুরের মতো জঙ্গলঘেরা গ্রামে ভারী বৃষ্টির সময় না যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

পকেটের হিসাব ও যাতায়াত
অফ সিজন হওয়ায় এই সময়ে ১০০০ থেকে ২৫০০ টাকার মধ্যে ভালো হোমস্টে পাওয়া যায়। দার্জিলিংয়ের ভালো মানের হোটেল মিলবে ২৫০০ থেকে ৫০০০ টাকার মধ্যে। এনজেপি বা সিলিগুড়ি থেকে শেয়ার জিপে পাহাড় যাওয়ার খরচ জনপ্রতি ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে। রিজার্ভ গাড়ির ক্ষেত্রে দূরত্ব অনুযায়ী ৩০০০ থেকে ৬০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে।

Advertisement

সফর হোক নিরাপদ
বর্ষায় পাহাড় ভ্রমণের কিছু স্বর্ণালি নিয়ম রয়েছে। রাতের বেলা পাহাড়ি রাস্তায় যাতায়াত এড়িয়ে চলাই ভালো। সঙ্গে অবশ্যই রেইনকোট, ছাতা এবং জলরোধী মজবুত জুতো রাখুন। এনএইচ-১০ (NH10) বা ধসপ্রবণ রাস্তার আপডেট নিয়মিত নিন। ভারী বৃষ্টির কারণে হঠাৎ রাস্তা বন্ধ হতে পারে, তাই হাতে বাড়তি একদিন সময় রাখা জরুরি। স্থানীয় গাইডদের মতে, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে বৃষ্টি কমতে শুরু করে, তখন ভ্রমণ সবচেয়ে আরামদায়ক হয়।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement