Advertisement

Kalimpong Jhandi Tourism: এই গরমেও ঘন কুয়াশায় ঢাকা, কালিম্পঙের ঝাণ্ডি যেন অন্য জগত

কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ রূপ, মাইলের পর মাইল বিস্তৃত সবুজ পাইন বন, মেঘ-রোদ্দুরের লুকোচুরি আর ভোরের মায়াবী সূর্যোদয়ের চাক্ষুষ সাক্ষী হতে চাইলে এই নির্জন জনপদটির কোনও বিকল্প নেই। প্রকৃতির একদম কাছাকাছি গিয়ে একান্ত সান্নিধ্য উপভোগ করার জন্য ভ্রমণপিপাসুদের পছন্দের তালিকায় এখন প্রথম সারিতে জায়গা করে নিচ্ছে ঝাণ্ডি।

Kalimpong Jhandi Tourism: এই গরমেও ঘন কুয়াশায় ঢাকা, কালিম্পঙের ঝাণ্ডি যেন অন্য জগতKalimpong Jhandi Tourism: এই গরমেও ঘন কুয়াশায় ঢাকা, কালিম্পঙের ঝাণ্ডি যেন অন্য জগত
Aajtak Bangla
  • ঝাণ্ডি (কালিম্পং),
  • 03 Jul 2026,
  • अपडेटेड 7:21 PM IST

শহুরে ব্যস্ততা আর দৈনন্দিন কোলাহল থেকে দূরে উত্তরবঙ্গের শান্ত ও নিরিবিলি পাহাড়ি পরিবেশে কয়েকটা দিন কাটাতে চাইলে কালিম্পং জেলার ঝাণ্ডি হতে পারে আপনার পরবর্তী ভ্রমণের দুর্দান্ত গন্তব্য। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬২০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত এই ছোট্ট পাহাড়ি গ্রামটি পর্যটকদের কাছে দিন দিন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ রূপ, মাইলের পর মাইল বিস্তৃত সবুজ পাইন বন, মেঘ-রোদ্দুরের লুকোচুরি আর ভোরের মায়াবী সূর্যোদয়ের চাক্ষুষ সাক্ষী হতে চাইলে এই নির্জন জনপদটির কোনও বিকল্প নেই। প্রকৃতির একদম কাছাকাছি গিয়ে একান্ত সান্নিধ্য উপভোগ করার জন্য ভ্রমণপিপাসুদের পছন্দের তালিকায় এখন প্রথম সারিতে জায়গা করে নিচ্ছে ঝাণ্ডি।

কীভাবে যাবেন?
সমতল থেকে পাহাড়ের এই স্বর্গরাজ্যে পৌঁছানো একেবারেই কঠিন কিছু নয়। শিলিগুড়ি বা নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে ঝাণ্ডির দূরত্ব প্রায় ৯০ কিলোমিটারের কাছাকাছি। আপনি নিউ জলপাইগুড়ি রেল স্টেশন কিংবা বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে সরাসরি গাড়ি ভাড়া করে সহজেই এখানে পৌঁছে যেতে পারেন। পথচলতি কালিম্পং শহর হয়ে লাভা রোড ধরে পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে ঝাণ্ডি পৌঁছাতে সাধারণত সাড়ে তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় লাগে। এ ছাড়া যারা একটু কম খরচে যেতে চান তারা শিলিগুড়ি থেকে শেয়ার গাড়িতে চড়ে কালিম্পং পর্যন্ত গিয়ে সেখান থেকেও আলাদাভাবে রিজার্ভ গাড়ি নিয়ে নিতে পারেন।

কোথায় থাকবেন?
পাহাড়ের বুকে রাত কাটানোর জন্য ঝাণ্ডিতে গড়ে উঠেছে একাধিক সুন্দর সুন্দর হোমস্টে এবং ছোট ছোট রিসর্ট। এখানকার বেশিরভাগ হোমস্টেতেই পাবেন নিখাদ কাঠের কটেজ, পাহাড়ের দিকে মুখ করা সুন্দর বারান্দা এবং পাহাড়ি মানুষের হাতের সুস্বাদু ঘরোয়া খাবারের চমৎকার সুবিধা। সাধারণত দুজনের জন্য প্রতি রাতে থাকার খরচ ১৮০০ টাকা থেকে শুরু করে ৩৫০০ টাকার মধ্যেই ঘোরাফেরা করে। উপরি পাওনা হিসেবে অনেক হোমস্টেতেই সকালের জলখাবার এবং রাতের রাজকীয় খাবার থাকার প্যাকেজের মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত করা থাকে।

কী কী দেখবেন?
ঝাণ্ডিতে বেড়াতে গেলে বেশ কিছু চমৎকার দর্শনীয় স্থান আপনার মন জয় করতে বাধ্য। এখানকার প্রধান আকর্ষণগুলির মধ্যে অন্যতম হল ঝাণ্ডি দারা ভিউ পয়েন্ট, টিফিন দারা, লাভা ও লোলেগাঁও গ্রাম এবং বিশ্ববিখ্যাত নেওরা ভ্যালি ন্যাশনাল পার্কের আশপাশের নৈসর্গিক এলাকা। আর পরিষ্কার আকাশ থাকলে তুষারাবৃত কাঞ্চনজঙ্ঘার যে মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখা যায় তা ক্যামেরাবন্দি করার আনন্দই আলাদা। বিশেষ করে ভোরের প্রথম আলোয় যখন কাঞ্চনজঙ্ঘার শৃঙ্গ সোনা রঙে রাঙিয়ে ওঠে সেই সূর্যোদয় দেখা এখানকার অন্যতম বড় পাওনা।

Advertisement

খরচ কত?
এবার আসা যাক খরচের হিসাবে যা আপনার পকেটের অনুকূলেই থাকবে। নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে সরাসরি রিজার্ভ গাড়ির ওয়ান ওয়ে ভাড়া সাধারণত ৪৫০০ টাকা থেকে ৬০০০ টাকার মতো পড়ে। তবে শেয়ার গাড়ির রুট ব্যবহার করলে এই যাতায়াত খরচ অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব। সব মিলিয়ে দুই দিন ও এক রাতের একটি সুন্দর ট্যুর প্ল্যানে থাকা, খাওয়া এবং যাতায়াত বাবদ জনপ্রতি আনুমানিক ৫০০০ টাকা থেকে ৮০০০ টাকার মধ্যেই আপনি এই পাহাড়ি সফর দারুণভাবে উপভোগ করতে পারবেন। তাই মেঘে ঢাকা পাহাড়, পাইন বনের নির্জনতা আর হিমেল হাওয়ার স্বাদ নিতে চাইলে আপনার ভ্রমণ তালিকায় ঝাণ্ডির নাম আজই যুক্ত করে নিতে পারেন।

 


 

Read more!
Advertisement
Advertisement