
ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা। বিদেশ থেকেই খুলেছিলেন অ্যাকাউন্ট। এখন সারা ভারত তাঁকে চেনে। কথা হচ্ছে অভিজিৎ দীপকের। প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিতর্ক থেকে শুরু করে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার মতো ইস্যুতে সরব হয়েছেন। হয়েছেন গ্রেফতারও। রাজনৈতিক জীবনের শুরু বলা যেতে পারে। অভিজিৎকে আরও কতটা লড়াই করতে হবে? ভবিষ্যতে কতটা সাফল্য পেতে পারেন? তাঁর জন্মছক বিচার করে সেই বিশ্লেষণই করেছেন এক জ্যোতিষী।
অভিজিৎ দীপকের জন্মবিবরণ
জন্মতারিখ: ২৯ সেপ্টেম্বর ১৯৯৫
জন্মসময়: সকাল ১০টা ৫৩ মিনিট
জন্মস্থান: ঔরঙ্গাবাদ, মহারাষ্ট্র
সমাজমাধ্যমে পাওয়া অভিজিৎ দীপকের জন্মবিবরণ অনুযায়ী জন্মছক বিচার করলে দেখা যাচ্ছে, নিজের জন্মস্থানে তিনি কেরিয়ার প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন না। বরং বিদেশে ভাগ্যপরীক্ষা করাই তাঁর পক্ষে বেশি লাভজনক হতে পারে বলে মনে করছেন জ্যোতিষী। এর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি জানিয়েছেন, লগ্নছকে লগ্নপতি দ্বাদশ অর্থাৎ বিদেশের ঘরে অবস্থান করছে। অন্যদিকে কর্মেশের সঙ্গে দ্বাদশভাবের অধিপতির একাদশ ঘরে অবস্থান সমাজের সঙ্গে যুক্ত কাজের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে সাফল্যের জন্য বিদেশের মাটিই তাঁর পক্ষে বেশি উপযুক্ত হতে পারে বলে জ্যোতিষীর মত।
জন্মছক অনুযায়ী, কন্যা রাশির বুধ তাঁকে যুক্তিবাদী করে তুলেছে। তবে লগ্নপতির দ্বাদশ ঘরে রাহুর সঙ্গে অবস্থান এবং ভাগ্যেশের নীচস্থ হয়ে লগ্নে বসা শুভ ইঙ্গিত দিচ্ছে না বলেই দাবি জ্যোতিষীর।
শনির অন্তর্দশা
বর্তমানে অভিজিৎ দীপকের জন্মছকে কেতুর মহাদশায় শনির অন্তর্দশা চলছে। ষষ্ঠ ঘরে অবস্থানকারী কেতুর পঞ্চম দৃষ্টি এবং চতুর্থ ঘরে থাকা শনির সপ্তম দৃষ্টি সরাসরি দশম অর্থাৎ কর্মভাবকে প্রভাবিত করছে বলে জ্যোতিষীয় বিশ্লেষণে দাবি করা হয়েছে। জ্যোতিষীর মতে, ২৭ অক্টোবর থেকে ২৪ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সময় অভিজিতের পক্ষে সমস্যাবহুল হতে পারে। এই সময়ে তিনি বিদেশে থাকলে পরিস্থিতি কিছুটা ভাল হতে পারে বলে মনে করছেন ওই জ্যোতিষী। অন্যথায় আদালত-কাছারি বা জেলযাত্রার মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
জ্যোতিষ গণনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ২ অক্টোবর থেকে কেতুর মহাদশায় বুধের অন্তর্দশা শুরু হবে। সেই সময় তাঁর সমস্যার তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। পাশাপাশি ২০২৭ সালের জুনে শনির রাশি পরিবর্তন তাঁর কেরিয়ারে বাধা তৈরি করতে পারে এবং জটিলতা বাড়াতে পারে বলেও দাবি জ্যোতিষীর।
কী প্রতিকারের পরামর্শ?
অভিজিৎ দীপকের জন্মতারিখ ২৯ সেপ্টেম্বর ১৯৯৫ সঠিক হলে, বাড়ির দক্ষিণ দিকের বাস্তুদোষ দূর করার বিষয়ে তাঁকে ভাবনাচিন্তা করার পরামর্শ দিয়েছেন জ্যোতিষী। তাঁর মতে, অভিজিতের জন্মাঙ্ক ইঙ্গিত দিচ্ছে যে বাড়ির দক্ষিণ দিকে কোনও না কোনও বাস্তুদোষ থাকতে পারে। দক্ষিণ দিকে শৌচাগার থাকা বা নীল বা কালো রঙের আধিক্য সেই বাস্তুদোষের কারণ হতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে।
মাখায় রাখুন, এই প্রতিবেদনটি জ্যোতিষ দাবির ভিত্তিতে লেখা। এগুলির বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।