
কর্কট - পুরনো পাওনা আদায় করতে গিয়ে নাজেহাল হতে হবে। কারও দরকারি কাজে আপনাকে সাহায্য করতে হতে পারে। কর্মক্ষেত্রে বা বাড়িতে— সর্বত্র মানসিক চাপ সহ্য করতে হতে পারে। খেলাধুলায় নাম করার সুযোগ পেতে পারেন। দাম্পত্য কলহ মিটে যাবে। উচ্চশিক্ষার ভাল যোগ। পেটের সমস্যা বাড়তে পারে। সন্তানের ব্যাপারে খরচ বাড়তে পারে।
আর্থিক লাভ- কর্মজীবন এবং ব্যবসায় অনুকূলতা থাকবে। পেশাদারদের প্রত্যাশা পূরণ হবে। বিভিন্ন শিক্ষামূলক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে জড়িত থাকবে। সহকর্মীদের প্রতি আস্থা থাকবে। দায়িত্ব ও ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে সামঞ্জস্যতা থাকবে। সাহসী প্রচেষ্টা করা হবে। ব্যবস্থাপনার ওপর জোর দেওয়া হবে। আরাম ও সুবিধা বৃদ্ধি পাবে। আনুগত্য বজায় রাখবে। প্রলুব্ধ হবে না। ধৈর্য্য ও দ্বীনের সাথে এগিয়ে যাবে। সহকর্মী সমর্থন প্রদান করবে। সেবামূলক কাজে মনোযোগ থাকবে। ইতিবাচকতার সদ্ব্যবহার করবে।
প্রেমের বন্ধুত্ব- প্রিয়জনের সাথে আনন্দময় সময় কাটবে। ভ্রমণ ও বিনোদনের সুযোগ বাড়বে। আমরা সমন্বয় বজায় রেখে এগিয়ে যাব। কাছের মানুষের প্রতি আস্থা বজায় রাখবে। বিনা দ্বিধায় এগিয়ে যাবে। সন্তানদের কাছ থেকে ভালো খবর পাবেন। আভিজাত্য বজায় রাখবে। কাছের মানুষের সাথে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শেয়ার করবেন। সম্পর্কের উন্নতি ঘটাতে পারবেন।
স্বাস্থ্য মনোবল- আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কাজ করবেন আজ। আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে থাকবে। ব্যক্তিত্বের উন্নতি হবে। জীবনযাত্রার উন্নতি ঘটাবে। ব্যক্তিগত বিষয়ে আগ্রহী হবেন। সাবধানে কাজ করবে। স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।
শুভ সংখ্যাঃ ১, ২ ও ৩
শুভ রং: হালকা গোলাপি
আজকের প্রতিকার: হিন্দু ধর্মে বজরংবলীকে মঙ্গলবারের অধিপতি দেবতার মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। তিনি সঙ্কটমোচন নামেও পরিচিত। সঙ্কট মুক্তির জন্য বজরংবলীর পুজোর বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। এদিন শুদ্ধ মনে বজরংবলীর পুজো করলে ব্যক্তির জীবনের সমস্ত কষ্ট দূর হয়। বজরংবলীকে প্রসন্ন করার জন্য শাস্ত্রে কিছু মন্ত্রের উল্লেখ পাওয়া যায়। হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী প্রতি মঙ্গলবার সকালে স্নান করে বজরংবলীর এই মন্ত্র জপ করলে সমস্ত বাধা, বিঘ্ন, ভয় থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। মন্ত্রটি হল, ওম হ্রাং হ্রীং হ্রং হ্রৈং হ্রৌং হ্রঃ।। হং হনুমতে রুদ্রাত্মকায় হুং ফট্। ওম হং হনুমন্তায় নমঃ ওম নমো হনুমতে রুদ্রাবতারায় সর্বশত্রুসংহারণায় সর্বরোগ হরায় সর্ববশীকরণায় রামদূতায় স্বাহা।
জ্যোতিষী পন্ডিত অরুনেশ কুমার শর্মা তিন দশক ধরে জ্যোতিষচর্চা করছেন। বৈদিক জ্যোতিষ, সংখ্যাতত্ত্ব, বাস্তুশাস্ত্র, সমুদ্রবিদ্যার সঙ্গে যুক্ত। হস্তরেখা, হাতের লেখা এবং স্বাক্ষর অধ্যয়নে দক্ষ। যোগিনী ধ্যানকর্তা এবং কার্ড রিডার। তিনি জ্যোতিষশাস্ত্রের জাতীয়-আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশ নিয়েছেন এবং সপ্তস্বরে জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রতিকার নিয়ে গবেষণা করেছেন। দেশের বিভিন্ন জাতীয় পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি করেন। জাতীয় পর্যায়ের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ছাড়াও তিনি টিভির জন্য 'সিতারোঁ কি চাল' অনুষ্ঠান করেছেন।