
নতুন বছর 2026 এ বড়সড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত। নতুন বছরে ‘রাজা’ হতে চলেছেন ২ রাশির জাতক জাতিকারা। সৌজন্যে দেবগুরু বৃহস্পতি। এই দুই রাশির অধিপতি বৃহস্পতি। আর সেই গ্রহের শুভ অবস্থানের কারণে নতুন বছরে বিশেষ শুভফল মিলতে পারে। এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের। তাঁদের ব্যাখ্যা, গোটা বছর জুড়েই বৃহস্পতির এই ভাল অবস্থান থাকবে। ফলে লক্ষ্মীর আশীর্বাদে এই দুই রাশির জাতকদের জীবনে আর্থিক সমৃদ্ধি ঘটবে। ব্যক্তিজীবনেও ইতিবাচক পরিবর্তন হবে।
ধনু রাশি
ধনু রাশির জাতকদের দন্য এই নতুন বছর বেশ উজ্জ্বল বলেই ইঙ্গিত মিলছে। অর্থনৈতিক দিক থেকে পরিস্থিতি মজবুত হবে। অযথা খরচের প্রবণতা কমবে, ফলে সঞ্চয়ের প্রচুর সুযোগ পাবেন। অতীতের কোনও বিনিয়োগ থেকে লাভ আসতে পারে। বাড়িতে শুভ অনুষ্ঠান বা পারিবারিক আয়োজনের সম্ভাবনাও প্রবল। অবিবাহিতদের ক্ষেত্রে বিয়ের আলোচনা এগোতে পারে। সারাবছর শারীরিক দিক থেকেও স্বাচ্ছন্দ্য বজায় থাকবে; এমনটাই বলছে রাশিফল।
মীন রাশি
মীন রাশির জাতকদের জন্য নতুন বছরে জীবনে পালাবদল হতে চলেছে। আয়ের উৎস বাড়তে পারে, ব্যবসায় যাঁরা কিছুতেই সুবিধা করে উঠতে পাচ্ছিলেন না তাঁদের জন্যও নতুন দিশা খুলে যেতে পারে। কোনও নতুন উদ্যোগ শুরু করতে চাইলে সময়টি অত্যন্ত উপযোগী। কর্মক্ষেত্রে সম্মান ও মর্যাদা বাড়বে। স্বাস্থ্যও স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা প্রবল।
দেবগুরু বৃহস্পতির কৃপার অর্থ কী?
জ্যোতিষ বিশ্লেষকদের মতে, বৃহস্পতির কৃপার মানেই অর্থভাগ্য ভাল হওয়া। এর মানে এই নয় যে রাতারাতি কোটিপতি হয়ে যাবেন। তবে অযথা টাকা অপচয় না করলে, সেক্ষেত্রে আপনার অর্থাভাব হবে না। বর্তমান অর্থনীতিতে সেটাই একটা বড় আশীর্বাদ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৃহস্পতিবারে ভগবান বিষ্ণুর আরাধনা এবং কেশর তিলক পরতে পারলে তা অত্যন্ত শুভ। নতুন বছরকে মঙ্গলের পথে চালিত করতে বৃহস্পতিবার করে নিরামিষ আহার করতে পারলে ভাল। মা-বাবার আশীর্বাদ নেওয়া যেমন জরুরি, তেমনই এ দিন গুড়, চানা এবং হলুদ বা হলুদ বর্ণের দান বৃষ্পতির কৃপা বাড়ায় বলে মত বিশেষজ্ঞদের। পাশাপাশি পিপুল বা তুলসী গাছের তলায় কিছুক্ষণ ধ্যান করলে মনোসংযোগ বাড়ে এবং গ্রহ-শান্তিতে সহায়তা করে।