Advertisement

Nirjala Ekadashi 2026: ভগবান বিষ্ণুর প্রিয় রাশি কারা? নির্জলা একাদশীতে হবে লক্ষ্মীলাভ

জৈষ্ঠ্য মাসের শুক্ল পক্ষে একাদশীকে নির্জলা একাদশী বলা হয়। এই দিন একাদশীর ব্রত রাখা হয়। তাতে বিষ্ণুর প্রিয় রাশির জীবনে ধন-ঐশ্বর্য এবং বৈভব আসবে। কারা সেই লাকি রাশি?

নির্জলা একাদশী ২০২৬ নির্জলা একাদশী ২০২৬
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 25 Jun 2026,
  • अपडेटेड 2:46 PM IST
  • জৈষ্ঠ্য মাসের শুক্ল পক্ষে নির্জলা একাদশী
  • বিষ্ণুর প্রিয় রাশির জীবনে ধন-ঐশ্বর্য এবং বৈভব আসবে
  • কারা সেই লাকি রাশি?

সনাতন ধর্মে একাদশী তিথির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। তার মধ্যে নির্জলা একাদশীকে সবচেয়ে পবিত্র একাদশীগুলির অন্যতম বলে মনে করা হয়। শাস্ত্র মতে, এই দিনে উপবাস করে ভগবান বিষ্ণুর পুজো করলে জীবনের নানা বাধা দূর হয় এবং সুখ-সমৃদ্ধি লাভ করা যায়। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, কিছু রাশি রয়েছে যাদের উপর ভগবান বিষ্ণুর বিশেষ কৃপা বর্ষিত হয়। নির্জলা একাদশীর পুণ্য তিথিতে সেই রাশিগুলির জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করা হয়।

কোন কোন রাশির লক্ষ্মীলাভ?
বৃষ রাশি: জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, বৃষ রাশির জাতকদের উপর ভগবান বিষ্ণুর বিশেষ আশীর্বাদ থাকে। নির্জলা একাদশীর পর থেকে এই রাশির জাতক-জাতিকাদের আর্থিক পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। আটকে থাকা টাকা ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কর্মক্ষেত্রেও সাফল্য মিলতে পারে।

কর্কট রাশি: কর্কট রাশির জাতকদের জন্য নির্জলা একাদশী অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। পারিবারিক জীবনে সুখ-শান্তি বজায় থাকবে। দীর্ঘদিনের কোনও সমস্যা মিটে যেতে পারে। নতুন কাজ শুরু করার জন্যও এই সময় অনুকূল হতে পারে।

তুলা রাশি: তুলা রাশির জাতকদের জন্য এই সময়টি লাভজনক হতে পারে। ব্যবসায় নতুন সুযোগ আসতে পারে এবং চাকরিজীবীদের পদোন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে। ভগবান বিষ্ণুর কৃপায় মানসিক চাপও অনেকটাই কমতে পারে।

মীন রাশি: মীন রাশিকে ভগবান বিষ্ণুর প্রিয় রাশিগুলির মধ্যে অন্যতম বলে ধরা হয়। নির্জলা একাদশীর পর থেকে ভাগ্যের পূর্ণ সমর্থন পেতে পারেন এই রাশির জাতক-জাতিকারা। ধর্মীয় কাজে আগ্রহ বাড়বে এবং অর্থনৈতিক দিক থেকেও উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে।

জ্যোতিষীদের মতে, নির্জলা একাদশীর দিন ভগবান বিষ্ণু ও দেবী লক্ষ্মীর পুজো করলে শুভ ফল লাভ করা যায়। পাশাপাশি গরিব ও অভাবী মানুষদের দান করলে পুণ্য বৃদ্ধি পায় এবং জীবনের নানা বাধা দূর হতে পারে।

দ্রষ্টব্য: রাশি সংক্রান্ত এই তথ্য জ্যোতিষশাস্ত্র ও প্রচলিত বিশ্বাসের ভিত্তিতে তৈরি। এটি কোনও সম্পাদকীয় মতামত, বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ বা নিশ্চিত ভবিষ্যদ্বাণী নয়।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement