Advertisement

Ram Navami 2026: এই রামনবমী থেকেই কপাল ঘুরবে, করতে হবে এই কাজ

Ram Navami 2025: রামনবমীর পুণ্যতিথিতেই কি ফিরবে হারানো সৌভাগ্য? সংসারে সুখ-সমৃদ্ধি ফেরাতে শাস্ত্রীয় টোটকায় মজেছে আপামর ভক্তকুল।

রাম নবমীরাম নবমী
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 27 Mar 2026,
  • अपडेटेड 7:00 AM IST

Ram Navami 2026: বসন্তের বিদায়বেলা আর চৈত্র শেষের তপ্ত দুপুরে চারদিকে এখন অশুভ বিনাশী রাম-নামের জয়ধ্বনি। শাস্ত্র মতে, চৈত্র নবরাত্রির নবম দিনে তথা শুক্লা নবমী তিথিতেই ধরাধামে আবির্ভূত হয়েছিলেন ভগবান শ্রীরামচন্দ্র। দেশজুড়ে রাম-ভক্তরা যখন ভক্তিভরে রামচরিত মানস পাঠে মগ্ন, ঠিক তখনই জীবনের যাবতীয় জরা-ব্যাধি আর বাধা কাটাতে একাধিক প্রাচীন শাস্ত্রীয় উপাচার বা ‘টোটকা’র হদিশ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশ্বাস করা হয়, রামনবমীর এই মহেন্দ্রক্ষণে শুদ্ধ চিত্তে বিশেষ কিছু নিয়ম পালন করলে কেবল মানসিক শান্তিই নয়, বরং শ্রীরামের আশীর্বাদে আর্থিক ও সাংসারিক সমৃদ্ধিও নিশ্চিত হয়। ২০ Esk৬-এর এই উৎসবের আবহে ঘরোয়া উপায়েই প্রতিকার খুঁজতে মজেছে আপামর জনতা।

সংসারে শ্রীবৃদ্ধি ও অর্থাগম ঘটাতে নবমীর সন্ধ্যায় লাল কাপড়ে ১১টি গোমতী চক্র, কড়ি, লবঙ্গ এবং বাতাসা বেঁধে শ্রীরাম ও লক্ষ্মীদেবীর চরণে উৎসর্গ করার পরামর্শ দিচ্ছেন শাস্ত্রজ্ঞরা। সঙ্গে ১০৮ বার রাম রক্ষা মন্ত্র জপ করলে মিলবে সুফল। আবার যারা পারিবারিক অশান্তিতে জর্জরিত, তাঁদের জন্য রাম দরবারের ছবির সামনে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালিয়ে ‘শ্রী রাম জয় রাম জয় জয় রাম’ জপ করার নিদান দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, সন্তান লাভের প্রত্যাশায় অনেক দম্পতিই এদিন লাল কাপড়ে মোড়া নারকেল উৎসর্গ করছেন মা সীতার চরণে। রামনবমীর এই পুণ্য তিথিকে কেন্দ্র করে উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ— সর্বত্রই এখন অধ্যাত্মচেতনার এক অভিনব জাগরণ দেখা যাচ্ছে।

কেবল ধনবৃদ্ধি নয়, রোগমুক্তি ও বিবাহের বাধা কাটাতেও রামনবমীর দিনটি অত্যন্ত শুভ। শারীরিক অসুস্থতা থেকে মুক্তি পেতে সন্ধ্যায় হনুমান মন্দিরে হনুমান চালিশা পাঠ এবং বিবাহের বাধা দূর করতে রাম-সীতাকে হলুদ, সিঁদুর ও চন্দনের তিলক নিবেদনের প্রথা বহুকাল ধরেই প্রচলিত। চৈত্র সেলের ভিড় আর কাঠফাটা রোদের মাঝেই সাধারণ মানুষ এখন নিজের নিজের বিশ্বাস অনুযায়ী ইষ্টদেবতার আরাধনায় ব্রতী। মনে করা হয়, এই বিশেষ তিথিতে করা প্রতিকারগুলি কেবল নিয়ম নয়, বরং বিশ্বাসের জোরেই মানুষের জীবনকে আমূল বদলে দিতে পারে। তাই উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি এখন শাস্ত্রীয় নিদানের ওপরেই ভরসা রাখছেন ভোজনরসিক থেকে শুরু করে গৃহিণীরা।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement