Advertisement

Rahu Ketu Control Remedies: রাহু-কেতুর প্রভাবে মানুষের ভাগ্য খারাপ হয়, কীভাবে বশে রাখবেন?

নবগ্রহের মধ্যে এই তিন শক্তিকে ধরা হয় সবচেয়ে প্রভাবশালী ও সংহারক হিসেবে। এঁদের কৃপাদৃষ্টি যেমন একজনকে রাজা করতে পারে, তেমনই রোষানলে পড়লে মুহূর্তেই সব ছারখার হয়ে যেতে পারে। তবে ভয় না পেয়ে সঠিক জীবনধারা এবং সহজ কিছু অভ্যাসের মাধ্যমেই এই তিন ‘ভয়ংকর’ গ্রহকে শান্ত রাখা সম্ভব বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

শনি-রাহু-কেতুশনি-রাহু-কেতু
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 10 May 2026,
  • अपडेटेड 8:10 PM IST

Rahu Ketu Control Remedies: জ্যোতিষশাস্ত্রে শনি, রাহু এবং কেতু, এই তিন নাম শুনলেই অনেক সময় সাধারণ মানুষের মনে শিরশিরানি জাগে। নবগ্রহের মধ্যে এই তিন শক্তিকে ধরা হয় সবচেয়ে প্রভাবশালী ও সংহারক হিসেবে। এঁদের কৃপাদৃষ্টি যেমন একজনকে রাজা করতে পারে, তেমনই রোষানলে পড়লে মুহূর্তেই সব ছারখার হয়ে যেতে পারে। তবে ভয় না পেয়ে সঠিক জীবনধারা এবং সহজ কিছু অভ্যাসের মাধ্যমেই এই তিন ‘ভয়ংকর’ গ্রহকে শান্ত রাখা সম্ভব বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

কর্মফল ও শনির মহিমা
শনিদেব হলেন ন্যায়াধীশ। তিনি কর্মফল অনুযায়ী বিচার করেন। প্রায় আড়াই বছর অন্তর রাশি পরিবর্তন করা এই গ্রহ অলস ও অসৎ মানুষকে কঠিন দণ্ড দেন। অসুস্থতা, অর্থকষ্ট কিংবা কর্মজীবনে বাধা, এসবই শনির কুপিত হওয়ার লক্ষণ। উল্টোদিকে, যাঁরা পরিশ্রমী ও ন্যায়পরায়ণ, তাঁদের দু’হাত ভরে সাফল্য দেন শনি। একে শক্তিশালী করতে হলে মিথ্যা বলা ও অন্যকে অপমান করা ছাড়তে হবে। বিশেষ করে বয়স্ক ও শ্রমজীবী মানুষের সেবা করলে এবং শনি বা ভৈরব মন্দিরে প্রার্থনা করলে দ্রুত সুফল মেলে।

রাহু ও কেতুর মারপ্যাঁচ
রাহু ও কেতু আসলে ছায়াগ্রহ। দেড় বছর অন্তর এঁরা ঘর বদলান। রাহু বিগড়ে গেলে মানুষের মধ্যে নেশার ঝোঁক, খারাপ সঙ্গ ও নেতিবাচক চিন্তা জাঁকিয়ে বসে। জীবন হয়ে ওঠে অস্থির। রাহুর কুপ্রভাব কাটাতে নিজেকে পরিষ্কার রাখা এবং শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়দের সঙ্গে সদ্ভাব রাখা জরুরি। অন্যদিকে কেতু খারাপ হলে মানুষের জেদ, রাগ ও নিষ্ঠুরতা বেড়ে যায়। কেতুকে বশ করতে নিয়মিত গণেশ উপাসনা এবং পশুপাখিকে খাবার খাওয়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন জ্যোতিষীরা।

সহজ প্রতিকারেই কেল্লাফতে
শর্টকাট পথে টাকা আয়ের নেশাই শনি ও রাহুর কুপ্রভাবকে ডেকে আনে। তাই জীবনে স্থিতিশীলতা চাইলে চরিত্র সংশোধনই আসল প্রতিকার। নিয়মিত স্নান করে পরিচ্ছন্ন থাকা, ছেঁড়া বা নোংরা পোশাক না পরা এবং পরিবারের সন্তানদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখলে কেতুর অশুভ ছায়া থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। মনে রাখবেন, গ্রহের ফের কাটানোর চাবিকাঠি আসলে আপনার নিজের অভ্যাসের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement