
আর্থিক দিক থেকে আগামীকাল আশাব্যঞ্জক। আয়ের নতুন উৎস তৈরি হতে পারে অথবা পূর্বে আটকে থাকা কোনও অর্থ হাতে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। ব্যবসায়ীদের লাভের পরিমাণ বাড়তে পারে। তবে আয় বাড়লেও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। পরিবার বা বাড়ির কোনও প্রয়োজনে অতিরিক্ত খরচ হতে পারে। যাঁরা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছেন, তাঁরা অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শ নিয়ে এগোলে উপকৃত হবেন। শেয়ার বাজার বা ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগে আবেগের বশে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। সঞ্চয়ের অভ্যাস ভবিষ্যতে আর্থিক নিরাপত্তা বাড়াবে। পুরনো ঋণ শোধ করার সুযোগ তৈরি হতে পারে, যা মানসিক স্বস্তি এনে দেবে।
পারিবারিক পরিবেশ সুখকর থাকবে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটালে সম্পর্ক আরও মজবুত হবে। কোনও পুরনো ভুল বোঝাবুঝি থাকলে তা আলোচনার মাধ্যমে মিটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দাম্পত্য জীবনে পারস্পরিক বিশ্বাস ও ভালোবাসা বৃদ্ধি পাবে। সঙ্গীর কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ পেতে পারেন, যা ভবিষ্যতের কোনও সিদ্ধান্তে সহায়ক হবে। অবিবাহিতদের জীবনে নতুন পরিচয় বা সম্পর্কের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। বন্ধুদের সঙ্গে দেখা বা যোগাযোগ মন ভালো করে দেবে। পরিবারের প্রবীণ সদস্যদের স্বাস্থ্য নিয়ে সামান্য উদ্বেগ থাকলেও বড় কোনও সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
স্বাস্থ্যের দিক থেকে দিনটি মোটামুটি ভালো। তবে অতিরিক্ত কাজের চাপ বা অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে হালকা ক্লান্তি বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দিতে পারে। পর্যাপ্ত জল পান করুন এবং সময়মতো খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। নিয়মিত হাঁটাচলা, হালকা ব্যায়াম বা যোগাভ্যাস করলে শরীর ও মন দুটোই সতেজ থাকবে। মানসিক চাপ কমাতে কিছুটা সময় নিজের পছন্দের কাজে ব্যয় করুন এবং পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন।
শুভ সংখ্যা: ৩, ৭, ১২
শুভ রঙ: হলুদ
শুভ দিক: পূর্ব
শুভ দিন: বৃহস্পতিবার
প্রতিকার: আগামীকাল সকালে ভগবান বিষ্ণু বা শ্রীহরির আরাধনা করুন এবং "ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়" মন্ত্র ১১ বা ২১ বার জপ করুন। সম্ভব হলে দরিদ্র বা কোনও ছাত্রকে হলুদ রঙের ফল বা খাদ্যসামগ্রী দান করুন। এতে কর্মক্ষেত্রে উন্নতি, আর্থিক স্থিতি এবং মানসিক শান্তি লাভের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেতে পারে।
জ্যোতিষী পন্ডিত অরুনেশ কুমার শর্মা তিন দশক ধরে জ্যোতিষচর্চা করছেন। বৈদিক জ্যোতিষ, সংখ্যাতত্ত্ব, বাস্তুশাস্ত্র, সমুদ্রবিদ্যার সঙ্গে যুক্ত। হস্তরেখা, হাতের লেখা এবং স্বাক্ষর অধ্যয়নে দক্ষ। যোগিনী ধ্যানকর্তা এবং কার্ড রিডার। তিনি জ্যোতিষশাস্ত্রের জাতীয়-আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশ নিয়েছেন এবং সপ্তস্বরে জ্যোতিষশাস্ত্রের প্রতিকার নিয়ে গবেষণা করেছেন। দেশের বিভিন্ন জাতীয় পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি করেন। জাতীয় পর্যায়ের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ছাড়াও তিনি টিভির জন্য 'সিতারোঁ কি চাল' অনুষ্ঠান করেছেন।