
জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, আগামী ১১ ডিসেম্বর মীন রাশিতে বক্রি দশা কাটিয়ে ফের মার্গী বা সোজা পথে চলবে শনি। বিভিন্ন জ্যোতিষীয় গণনায় এই সময়কে গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হচ্ছে। শনির এই মার্গী অবস্থান ৩ জুন ২০২৭ পর্যন্ত মীন রাশিতে থাকবে।
শনিকে জ্যোতিষশাস্ত্রে কর্ম, শৃঙ্খলা, দায়িত্ব, পরিশ্রম ও ন্যায়ের গ্রহ হিসেবে ধরা হয়। তাই শনির গতি পরিবর্তনের প্রভাব কর্মজীবন, অর্থ, ব্যবসা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় পড়তে পারে বলে মনে করা হয়। বিশেষ করে ৪ রাশির জাতকদের জন্য এই সময়টি তুলনামূলকভাবে শুভ হতে পারে।
বৃষ রাশি: শনির মার্গী চল বৃষ রাশির জাতকদের জন্য কর্মক্ষেত্রে অগ্রগতির সুযোগ তৈরি করতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা কোনও কাজ ফের এগোতে পারে। চাকরিতে দায়িত্ব বাড়ার পাশাপাশি পদোন্নতি বা নতুন সুযোগের সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে। ব্যবসায়ীরা নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ পেতে পারেন। আর্থিক দিক থেকেও ধীরে ধীরে স্থিতি ফেরার ইঙ্গিত রয়েছে।
মিথুন রাশি: মিথুন রাশির জাতকদের জন্য শনির মার্গী দশা কেরিয়ার ও অর্থের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে। নতুন কাজের সুযোগ আসতে পারে, কর্মক্ষেত্রে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করার সুযোগ মিলতে পারে। ব্যবসায় নতুন যোগাযোগ তৈরি হবে, যার সুফল পরবর্তী সময়ে পাওয়া যেতে পারে। আটকে থাকা পাওনা টাকা ফেরার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।
তুলা রাশি: তুলা রাশির জাতকদের জন্য শনির এই গতি পরিবর্তন আর্থিক দিক থেকে স্বস্তি আনতে পারে বলে জ্যোতিষীয় গণনায় মনে করা হচ্ছে। আয় বৃদ্ধির নতুন রাস্তা খুলতে পারে। চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে কাজের স্বীকৃতি এবং দায়িত্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। ব্যবসায় দীর্ঘমেয়াদি কোনও পরিকল্পনা লাভ দিতে পারে। তবে হঠাৎ বড় খরচ না করে সঞ্চয়ের দিকে নজর দেওয়া ভালো।
মকর রাশি: মকর রাশির জাতকদের উপর শনির বিশেষ প্রভাব থাকে। তাই শনির মার্গী হওয়া তাঁদের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। আটকে থাকা কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে সাফল্য আসতে পারে। নতুন দায়িত্ব বা গুরুত্বপূর্ণ কোনও সুযোগ হাতে আসতে পারে। আর্থিক ক্ষেত্রে ধীরে ধীরে উন্নতি হবে এবং পুরনো কোনও সমস্যা মিটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কী বলছে জ্যোতিষীয় গণনা?
১১ ডিসেম্বর থেকে শনির মার্গী গতি শুরু হওয়ার পর পরিশ্রমের ফল হাতে পাওয়ার সময় আসতে পারে এই ৪ রাশির জাতকদের। তবে শনির ক্ষেত্রে দ্রুত ফলের পরিবর্তে ধীরে ধীরে স্থায়ী সাফল্য পাওয়ার কথাই বলা হয়। তাই এই সময় ধৈর্য ধরে কাজ করা এবং ভুল পথে না গিয়ে নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
উল্লেখ্য, এগুলি জ্যোতিষশাস্ত্রভিত্তিক বিশ্বাস ও গণনা; এর বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।