
জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১১ ডিসেম্বর শনি বক্রী দশা কাটিয়ে মার্গী বা সোজা পথে চলতে শুরু করবে। দীর্ঘ সময় বক্রী থাকার পর শনির এই গতি পরিবর্তনকে জ্যোতিষশাস্ত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। আর এই সময়েই তৈরি হবে ধনলক্ষ্মী রাজযোগ। জ্যোতিষমতে, এই যোগের প্রভাবে কয়েকটি রাশির জাতকদের আর্থিক পরিস্থিতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
জ্যোতিষশাস্ত্রে শনিকে কর্মফল, দায়িত্ব ও শৃঙ্খলার সঙ্গে যুক্ত গ্রহ হিসেবে ধরা হয়। শনির মার্গী অবস্থাকে কেন্দ্র করে প্রচলিত জ্যোতিষ ব্যাখ্যায় বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা কাজ এগোতে পারে, নতুন আয়ের পথ তৈরি হতে পারে এবং কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সুযোগ আসতে পারে। তবে এই ধরনের ফলাফল জ্যোতিষশাস্ত্রীয় বিশ্বাসের ভিত্তিতে বলা হয়, বৈজ্ঞানিকভাবে নিশ্চিত ভবিষ্যদ্বাণী নয়।
বৃষ রাশি: শনির মার্গী চালে বৃষ রাশির জাতকদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হওয়ার কথা বলা হচ্ছে। আটকে থাকা কাজ এগিয়ে যেতে পারে। চাকরিতে নতুন সুযোগ বা পদোন্নতির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। ব্যবসার ক্ষেত্রেও নতুন যোগাযোগ থেকে লাভের সুযোগ আসতে পারে বলে জ্যোতিষমতে মনে করা হচ্ছে।
কর্কট রাশি: কর্কট রাশির জাতক-জাতিকাদের কর্মজীবনে পরিবর্তনের সম্ভাবনার কথা বলা হচ্ছে। আয় বাড়ার পাশাপাশি বাড়ি বা গাড়ি কেনার মতো পরিকল্পনাও বাস্তবায়িত হতে পারে বলে জ্যোতিষীয় ব্যাখ্যায় উল্লেখ করা হয়েছে। পারিবারিক ক্ষেত্রেও স্বস্তি ফিরতে পারে।
মিথুন রাশি: মিথুন রাশির ক্ষেত্রে যোগাযোগ ও বাচনভঙ্গির দক্ষতা কাজে লাগিয়ে নতুন কাজ বা প্রকল্প পাওয়ার সম্ভাবনার কথা বলা হচ্ছে। ব্যবসা, বিশেষ করে বিদেশি যোগাযোগ বা বৈদেশিক বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্তদের জন্য সময়টি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। একাধিক আয়ের পথ তৈরির সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জ্যোতিষমতে মনে করা হচ্ছে।
মকর রাশি: শনির নিজের রাশি মকর। তাই শনির মার্গী চালকে ঘিরে মকর রাশির জাতক-জাতিকাদের জন্যও একাধিক ইতিবাচক সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। কর্মক্ষেত্রে পরিস্থিতির উন্নতি, ঊর্ধ্বতনদের সহযোগিতা এবং দীর্ঘদিনের সমস্যা মিটে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ রয়েছে। রিয়েল এস্টেট, নির্মাণ বা অটোমোবাইল ব্যবসার সঙ্গে যুক্তদের ক্ষেত্রেও লাভের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।