Advertisement

Sani Sade Sati: ২০২৭-এ কোন কোন রাশির শনির সাড়েসাতি ও ঢাইয়া কাটবে, কাদের শুরু হবে?

২০২৭ সালে শনির অবস্থান বদলের জেরে একাধিক রাশির জীবনে আসতে পারে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। কারও সাড়েসাতির চাপ বাড়বে, কারও ক্ষেত্রে সাময়িক স্বস্তি মিলবে। আবার কয়েকটি রাশিতে শুরু হবে শনির ঢাইয়া।

শনির অবস্থান বদলের জেরে একাধিক রাশির জীবনে আসতে পারে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন।শনির অবস্থান বদলের জেরে একাধিক রাশির জীবনে আসতে পারে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 03 Nov 2026,
  • अपडेटेड 4:01 PM IST
  • একাধিক রাশির জীবনে আসতে পারে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন।
  • জুন ও অক্টোবর মাসে শনির গোচর ঘিরে তৈরি হবে নতুন সমীকরণ।

Shani Sade Sati 2027: নতুন বছর মানেই নতুন আশা। তবে জ্যোতিষশাস্ত্রের হিসাব বলছে, ২০২৭ সালে শনির অবস্থান বদলের জেরে একাধিক রাশির জীবনে আসতে পারে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। কারও সাড়েসাতির চাপ বাড়বে, কারও ক্ষেত্রে সাময়িক স্বস্তি মিলবে। আবার কয়েকটি রাশিতে শুরু হবে শনির ঢাইয়া। বিশেষ করে জুন ও অক্টোবর মাসে শনির গোচর ঘিরে তৈরি হবে নতুন সমীকরণ।

জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, ২০২৭ সালের শুরুতে শনি থাকবে মীন রাশিতে। ৩ জুন শনি প্রবেশ করবে মেষ রাশিতে। পরে বক্রী হয়ে ২০ অক্টোবর আবার মীন রাশিতে ফিরে আসবে। এই যাতায়াতের ফলেই সাড়েসাতি ও ঢাইয়ার হিসাব বদলাবে।

কোন কোন রাশিতে সাড়েসাতি?
বছরের শুরু থেকে মেষ, মীন ও কুম্ভ রাশিতে সাড়েসাতি থাকবে। ৩ জুন শনি মেষে প্রবেশ করলে মেষ রাশির সাড়েসাতি প্রথম পর্ব থেকে দ্বিতীয় বা মধ্য পর্বে পৌঁছবে। মীন রাশির ক্ষেত্রে শুরু হবে শেষ পর্ব। অন্য দিকে, কুম্ভ রাশির সাড়েসাতি সাময়িক ভাবে থামবে।

৩ জুন থেকে বৃষ রাশিতে সাড়েসাতির প্রথম পর্ব শুরু হবে। তবে ২০ অক্টোবর শনি ফের মীনে ফিরলে এই পরিবর্তনগুলির কিছু আবার উল্টে যাবে। কুম্ভের সাড়েসাতি ফিরবে। মেষ ও মীন রাশির পর্বও বদলাবে। বৃষের ক্ষেত্রে সাড়েসাতি সাময়িক বিরতি নেবে।

ঢাইয়া থাকবে কোন রাশিতে?
২০২৭ সালের শুরুতে সিংহ ও ধনু রাশিতে শনির ঢাইয়া থাকবে। ৩ জুন থেকে তা সাময়িক ভাবে কাটবে। ওই সময় কন্যা ও মকর রাশিতে ঢাইয়া শুরু হবে। ২০ অক্টোবর শনি মীনে ফিরলে সিংহ ও ধনু রাশিতে ঢাইয়া আবার ফিরে আসবে।

তবে মকর ও কন্যার ক্ষেত্রে ঢাইয়া আপাতত থামবে। উল্লেখ্য, সাড়েসাতি বা ঢাইয়ার ফল সবার ক্ষেত্রে এক হয় না। জন্মছকের অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। এই হিসাব জ্যোতিষশাস্ত্রভিত্তিক, বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত ভবিষ্যদ্বাণী নয়। 

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement