Advertisement

Somvati Amavasya 2026 Date: একশো বছর পর বিরল মহাযোগ, সোমবতী অমাবস্যায় পিতৃপুরুষের পুজোয় কাটবে জীবনের সব বাধা

Somvati Amavasya 2026 Date: পুরাণ এবং শাস্ত্রীয় বিশ্বাস অনুযায়ী সোমবতী অমাবস্যার দিন বিবাহিত মহিলারা তাঁদের স্বামীর দীর্ঘায়ু কামনা করে উপবাস রাখেন এবং অশ্বত্থ গাছের পুজো করেন। তবে এই বছরের আষাঢ় অমাবস্যার মূল আকর্ষণ হলো একশো বছর পর ফিরে আসা গ্রহ নক্ষত্রের সেই বিরল অবস্থান যা এই দিনটিতে করা যে কোনও শুভ কাজ ও উপাসনাকে অক্ষয় পুণ্যদায়ক করে তুলবে।

Somvati Amavasya 2026 Date: একশো বছর পর বিরল মহাযোগ, সোমবতী অমাবস্যায় পিতৃপুরুষের পুজোয় কাটবে জীবনের সব বাধাSomvati Amavasya 2026 Date: একশো বছর পর বিরল মহাযোগ, সোমবতী অমাবস্যায় পিতৃপুরুষের পুজোয় কাটবে জীবনের সব বাধা
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 15 Jun 2026,
  • अपडेटेड 6:00 AM IST

Somvati Amavasya 2026 Date: সনাতন ধর্মে অমাবস্যা তিথির এক বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে আর তা যদি সোমবার পড়ে তবে তার পুণ্যফল বহুগুণ বেড়ে যায়। ২০২৬ সালের আষাঢ় মাসের সোমবতী অমাবস্যাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে পুণ্যার্থীদের মধ্যে তুমুল উৎসাহ দেখা দিয়েছে কারণ জ্যোতিষবিদদের মতে এবার পুরো এক শতাব্দী অর্থাৎ ১০০ বছর পর এই তিথিতে এক পরম শুভ ও বিরল সংযোগ তৈরি হচ্ছে। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী এই বিশেষ মহাযোগের দিনে পবিত্র নদীতে স্নান, দানধ্যান এবং বিশেষ করে পিতৃপুরুষদের উদ্দেশ্যে তর্পণ বা পুজো করলে আজীবনের সমস্ত কষ্ট ও পিতৃ দোষ থেকে চিরতরে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হয়।

পুরাণ এবং শাস্ত্রীয় বিশ্বাস অনুযায়ী সোমবতী অমাবস্যার দিন বিবাহিত মহিলারা তাঁদের স্বামীর দীর্ঘায়ু কামনা করে উপবাস রাখেন এবং অশ্বত্থ গাছের পুজো করেন। তবে এই বছরের আষাঢ় অমাবস্যার মূল আকর্ষণ হলো একশো বছর পর ফিরে আসা গ্রহ নক্ষত্রের সেই বিরল অবস্থান যা এই দিনটিতে করা যে কোনও শুভ কাজ ও উপাসনাকে অক্ষয় পুণ্যদায়ক করে তুলবে।

জ্যোতিষ শাস্ত্রের ব্যাখ্যাকাররা জানিয়েছেন যে যদি কোনও ব্যক্তির কুণ্ডলীতে পিতৃ দোষ থাকে অথবা পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে অশান্তি ও আর্থিক অনটন লেগেই থাকে তবে এই শতাব্দীর সবচেয়ে শুভ সোমবতী অমাবস্যায় পিতৃ পুজো করা অত্যন্ত ফলদায়ী হতে পারে। এই দিনে তিল, জল ও কুশ দিয়ে পূর্বপুরুষদের পিণ্ডদান বা তর্পণ করলে পিতররা পরম তৃপ্ত হন এবং বংশধরদের সুখ সমৃদ্ধির আশীর্বাদ উজাড় করে দেন।

নতুন প্রজন্মের পণ্ডিত ও শাস্ত্রজ্ঞদের মতে এই বছরের সোমবতী অমাবস্যার পুণ্যলগ্নে ভক্তিভরে বিষ্ণু পুজো এবং শিব আরাধনা করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এই মহামুহূর্তে দুঃস্থ ও অভাবী মানুষদের অন্ন, বস্ত্র বা ছাতা দান করলে কোটিরকম যজ্ঞের সমতুল্য ফল লাভ হয় বলে শাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে।

শুধু তাই নয় সোমবতী অমাবস্যার সকালে সূর্যোদয়ের সময় কোনও পবিত্র নদী বা জলাশয়ে স্নান করার রীতি রয়েছে এবং যদি তা সম্ভব না হয় তবে বাড়িতেই স্নানের জলে গঙ্গাজল মিশিয়ে অবগাহন করলেও সমান পুণ্য মেলে। একশো বছরের এই বিরল শুভ সংযোগকে হাতছাড়া না করতে এবং জীবনের সমস্ত গ্রহদোষ কাটিয়ে সৌভাগ্যের উদয় ঘটাতে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সাধুসন্তরা ইতিমধ্যেই এই বিশেষ দিনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement