Advertisement

Voter Turnout: ২০১১ বনাম ২০২৬; প্রথম দফাতেই নজিরবিহীন ভোটদানের হার, কী বলছে পরিসংখ্যান?

প্রথম দফাতেই রেকর্ড। ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে ৯২.৬ শতাংশ ভোটদান। ২০১১ সালের রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। এত বেশি ভোটার টার্নআউট এর আগে দেশের কোথাও দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।  

এত বেশি ভোটার টার্নআউট এর আগে দেশের কোথাও দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।  এত বেশি ভোটার টার্নআউট এর আগে দেশের কোথাও দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।  
সৌমিক মজুমদার
  • কলকাতা,
  • 24 Apr 2026,
  • अपडेटेड 9:50 PM IST
  • ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে ৯২.৬ শতাংশ ভোটদান।
  • ২০১১ সালের রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গিয়েছে।
  • এত বেশি ভোটার টার্নআউট এর আগে দেশের কোথাও দেখা যায়নি।

প্রথম দফাতেই রেকর্ড। ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে ৯২.৬ শতাংশ ভোটদান। ২০১১ সালের রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। এত বেশি ভোটার টার্নআউট এর আগে দেশের কোথাও দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।  

২০১১ বনাম ২০২৬: কী বলছে তুলনা?
২০১১ সালে প্রথম দফার ভোটে মোট ভোটদান ছিল ৮৪.৩ শতাংশ, যা সেই সময় সর্বকালের রেকর্ড ছিল। সেই ভোটেই ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটে।

কিন্তু ২০২৬ সালে প্রথম দফাতেই সেই রেকর্ড ভেঙে ৯২.৬ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছে ভোট।

তুলনা (ভোট শতাংশ):

ভোটদানের হার


২০১১: ৮৪.৩%
২০২১ (মোট): ৮১.৫%
২০২৬ (প্রথম দফা): ৯২.৬%
এই পরিসংখ্যান বলছে, ভোটারদের আগ্রহ এবার অনেক বেশি।

কোথায় বেশি ভোট পড়ল?
প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গ থেকে মালদহ, মুর্শিদাবাদ; বিভিন্ন জেলায় ভোট হয়েছে। এর মধ্যে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে ভোটের হার সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে।

মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে ভোট বেড়ে হয়েছে ৯৬.৯% (২০২১-এ ছিল ৭৬.৪%)।
জঙ্গিপুরে ৭৭.৮% থেকে বেড়ে ৯৫.৭%।
উত্তর দিনাজপুরের গোলপোখরে ৭১.৯% থেকে ৯১.৭%।

এছাড়া সাগরদিঘি ও সামশেরগঞ্জেও ৯৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে।

মালদাতেও একই ছবি
মালদা জেলার একাধিক আসনে ৯২-৯৫ শতাংশের মধ্যে ভোট পড়েছে।
চাঁচল, রতুয়া, মালতিপুর, হাবিবপুর, সব জায়গাতেই দ্বিগুণ অঙ্কে ভোট বেড়েছে।
ইংরেজবাজার, গাজোল, মানিকচকেও একই প্রবণতা।

নাম কাটা গেলেও ভোটে ভাটা নেই
মজার বিষয়, মুর্শিদাবাদ ও মালদহ; এই দুই জেলাতেই সবচেয়ে বেশি ভোটার নাম বাদ গিয়েছে।

মুর্শিদাবাদে ৪.৫৫ লক্ষ, মালদহে ২.৩৯ লক্ষ নাম কাটা হয়েছে।
তবুও ভোটের হার ৯০ শতাংশের উপরে।

রাজনৈতিক ব্যাখ্যা কী?
এই রেকর্ড ভোট নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) দাবি করেছেন, এই ভোট পরিবর্তনের ইঙ্গিত।
অন্যদিকে শাসক শিবিরের মতে, সংখ্যালঘু ভোটারদের এই অংশগ্রহণই Mamata Banerjee সরকারের প্রতি আস্থার প্রমাণ।

২০১১ সালের ভোট
২০১১ সালে ৬ দফায় ভোট হয়েছিল। ১৮ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত চলেছিল ভোটগ্রহণ।
মোট ২৯৪টি আসনে ভোট হয়েছিল, গণনা হয়েছিল ১৩ মে।

৪ মে ফল ঘোষণা। তার আগে এই রেকর্ড ভোটই এখন বাংলার নির্বাচনের সবচেয়ে বড় চমক।

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement