Advertisement

Kaal Sarp Dosh: ভাগ্যে কালসর্প দোষ নেই তো? কখন হয়, কী উপায়? জানুন

জীবনে বারবার বাধা আসছে? পরিশ্রম করেও সাফল্য মিলছে না? জ্যোতিষশাস্ত্রে অনেক সময় এর পিছনে ‘কালসর্প দোষ’-কে দায়ী করা হয়। বহু মানুষের মধ্যেই এই যোগ নিয়ে কৌতূহল এবং ভয় দুটোই কাজ করে। জ্যোতিষীদের মতে, জন্মছকে বিশেষ গ্রহসংযোগের কারণে কালসর্প দোষ তৈরি হয়।

কালসর্প দোষ কালসর্প দোষ
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 09 May 2026,
  • अपडेटेड 8:24 PM IST
  • জীবনে বারবার বাধা আসছে? পরিশ্রম করেও সাফল্য মিলছে না?
  • জ্যোতিষশাস্ত্রে অনেক সময় এর পিছনে ‘কালসর্প দোষ’-কে দায়ী করা হয়।
  • বহু মানুষের মধ্যেই এই যোগ নিয়ে কৌতূহল এবং ভয় দুটোই কাজ করে।

জীবনে বারবার বাধা আসছে? পরিশ্রম করেও সাফল্য মিলছে না? জ্যোতিষশাস্ত্রে অনেক সময় এর পিছনে ‘কালসর্প দোষ’-কে দায়ী করা হয়। বহু মানুষের মধ্যেই এই যোগ নিয়ে কৌতূহল এবং ভয় দুটোই কাজ করে। জ্যোতিষীদের মতে, জন্মছকে বিশেষ গ্রহসংযোগের কারণে কালসর্প দোষ তৈরি হয়। এর প্রভাবে কর্মজীবন, অর্থভাগ্য, মানসিক শান্তি এবং পারিবারিক জীবনেও সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে এই যোগ থাকলেই ভয় পাওয়ার কিছু নেই বলেও মনে করিয়ে দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ সঠিক উপায় এবং নিয়ম মেনে চললে এর নেতিবাচক প্রভাব অনেকটাই কমানো সম্ভব।

জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, যখন জন্মছকে রাহু এবং কেতুর মাঝখানে সব গ্রহ অবস্থান করে, তখন কালসর্প দোষ তৈরি হয়। অর্থাৎ সূর্য, চন্দ্র, মঙ্গল, বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র এবং শনি— এই সাতটি গ্রহ যদি রাহু-কেতুর অক্ষের মধ্যে আটকে যায়, তখন এই যোগ গঠিত হয়। জ্যোতিষীদের মতে, এর একাধিক ধরনও রয়েছে। গ্রহের অবস্থান অনুযায়ী কালসর্প দোষের নাম এবং প্রভাব বদলে যায়।

বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, কালসর্প দোষ থাকলে জীবনে ওঠাপড়া বেশি দেখা যায়। অনেক সময় কাজ শেষ হতে হতে আটকে যায়। অর্থনৈতিক সমস্যা, মানসিক উদ্বেগ, পারিবারিক অশান্তি কিংবা কর্মক্ষেত্রে বাধার মুখেও পড়তে হতে পারে। আবার কারও ক্ষেত্রে দেরিতে সাফল্য আসার যোগও তৈরি হয়। তবে সব মানুষের ক্ষেত্রে একই ফল দেখা যায় না। কারণ পুরো বিষয়টি নির্ভর করে জন্মছকের অন্যান্য গ্রহের অবস্থানের উপরও।

জ্যোতিষীদের মতে, অনেক সময় কালসর্প দোষ থাকা সত্ত্বেও মানুষ জীবনে বড় সাফল্য পেয়েছেন। কারণ শুভ গ্রহের প্রভাব থাকলে এই যোগের নেতিবাচক ফল অনেকটাই কমে যায়। তাই শুধুমাত্র কালসর্প দোষ শুনেই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

কী কী লক্ষণ?
জ্যোতিষশাস্ত্রে বলা হয়, বারবার ব্যর্থতা, অকারণে ভয়, মানসিক অস্থিরতা, স্বপ্নে সাপ দেখা, পারিবারিক সমস্যা বা দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সংকট চললে অনেকে কালসর্প দোষের কথা ভাবেন। যদিও শুধুমাত্র এই লক্ষণ দেখেই নিশ্চিত হওয়া যায় না। জন্মছক বিচার করেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব।

Advertisement

কালসর্প দোষ কাটানোর জন্য একাধিক প্রতিকার বা উপায়ের কথাও বলা হয়েছে জ্যোতিষশাস্ত্রে। অনেকেই মহাদেবের পুজো করার পরামর্শ দেন। বিশেষ করে সোমবার শিবলিঙ্গে জল ও দুধ অর্পণ করলে শুভ ফল মিলতে পারে বলে বিশ্বাস। এছাড়া রাহু-কেতুর শান্তির জন্য বিশেষ মন্ত্র জপ, নাগদেবতার পুজো এবং দানধ্যানের কথাও বলা হয়।

কিছু জ্যোতিষী কালসর্প দোষ নিবারণের জন্য ত্র্যম্বকেশ্বর বা বিশেষ মন্দিরে পূজার কথাও উল্লেখ করেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনও প্রতিকার করার আগে অভিজ্ঞ জ্যোতিষীর পরামর্শ নেওয়া জরুরি। কারণ ব্যক্তিভেদে গ্রহের অবস্থান এবং তার প্রভাব আলাদা হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্যোতিষশাস্ত্রকে অন্ধবিশ্বাস নয়, বরং বিশ্বাস ও মানসিক শক্তির জায়গা থেকে দেখা উচিত। কালসর্প দোষ থাকলেও ধৈর্য, পরিশ্রম এবং ইতিবাচক মনোভাব জীবনে সাফল্য এনে দিতে পারে বলেই মত তাঁদের।

দ্রষ্টব্য: রাশি সংক্রান্ত প্রতিবেদন জ্যোতিষ ও লোকমতভিত্তিক। এগুলি সম্পাদকীয় বিশ্লেষণ বা সুপারিশ নয়।

Read more!
Advertisement
Advertisement