
Zodiac Signs Who Lie: মানুষের স্বভাবের মধ্যে নানা দিক থাকে। কেউ সরাসরি কথা বলেন, কেউ আবার সব কথা স্পষ্ট করে বলতে পারেন না। অনেক সময় অজান্তেই কেউ কেউ মিথ্যা বলে ফেলেন। জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে, জন্মরাশির প্রভাবেও এমন কিছু স্বভাব তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে দুটি রাশির জাতক-জাতিকাদের মধ্যে এই প্রবণতা তুলনামূলক বেশি দেখা যায় বলে দাবি জ্যোতিষীদের। জ্যোতিষীরা বলছেন, এই স্বভাব সব মানুষের ক্ষেত্রে একরকম নয়। পরিবার, শিক্ষা, পরিবেশ; সব কিছুই মানুষের চরিত্র গঠনে বড় ভূমিকা নেয়। তাই শুধু রাশির উপর ভিত্তি করে কাউকে বিচার করা ঠিক নয়। মিথ্যা বলার প্রবণতা থাকলে কী করবেন? বিশেষজ্ঞদের মতে, নিজেকে সচেতন করা সবচেয়ে জরুরি। ধীরে ধীরে সত্য কথা বলার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। ছোট ছোট বিষয়ে সত্য বলার চেষ্টা করলে বড় ক্ষেত্রেও সহজ হয়ে যায়।
প্রথমেই আসে মিথুন রাশি (Gemini)। এই রাশির অধিপতি বুধ গ্রহ। বুধকে বলা হয় বুদ্ধি, যোগাযোগ ও কথাবার্তার গ্রহ। তাই মিথুন রাশির জাতকরা খুব কথা বলতে ভালোবাসেন। তাঁরা দ্রুত পরিস্থিতি বুঝে ফেলতে পারেন এবং সেই অনুযায়ী কথা বলেন। কিন্তু অনেক সময় পরিস্থিতি সামলাতে গিয়ে বা কাউকে খুশি করতে গিয়ে সত্যের সঙ্গে একটু 'রং' মিশিয়ে দেন। ধীরে ধীরে এই অভ্যাস বেড়ে গেলে তা মিথ্যা বলার প্রবণতায় পরিণত হয়। অনেক সময় নিজের অজান্তেই গল্প বানিয়ে ফেলেন তাঁরা।
এরপর রয়েছে মীন রাশি (Pisces)। এই রাশির জাতকরা খুব আবেগপ্রবণ ও কল্পনাপ্রবণ হন। বাস্তবের চেয়ে কল্পনার জগতে থাকতে বেশি পছন্দ করেন অনেকেই। ফলে অনেক সময় বাস্তব ঘটনা একটু বদলে গিয়ে কল্পনার ছোঁয়া পায়। এতে ইচ্ছে করে মিথ্যা বলা না হলেও, কথার মধ্যে অতিরঞ্জন চলে আসে। কারও মন না ভাঙতে চাওয়া বা ঝামেলা এড়াতে গিয়ে অনেক সময় সত্যিটা লুকিয়ে দেন মীন রাশির মানুষরা।
সব মিলিয়ে, জ্যোতিষ মতে কিছু রাশির মানুষের মধ্যে গল্প বানিয়ে বলার প্রবণতা বেশি থাকতে পারে। তবে সেটাই শেষ কথা নয়। নিজের চেষ্টা আর সচেতনতার মাধ্যমে এই অভ্যাস বদলানো সম্ভব।
দ্রষ্টব্য: রাশি সংক্রান্ত প্রতিবেদন জ্যোতিষ ও লোকমতভিত্তিক। এগুলি সম্পাদকীয় বিশ্লেষণ বা সুপারিশ নয়।