Advertisement

Neuralink Brain Chip: মানুষের মস্তিকে চিপ! এলনের নিউরোলিঙ্কের পরীক্ষায় মৃত্যু বেশিরভাগ বাঁদরের

Elon Musk’s Neuralink Brain Chip: নিউরোলিঙ্ক প্রকল্প শুরু হয়েছিল ২০১৬ সালে। তখন বলা হয়েছিল, ব্রেন ডেথ ও মেরুদণ্ডে সমস্যা থাকলেও মানুষ চলাফেরা করতে পারবেন।

নিউরোলিঙ্ক নিয়ে পরীক্ষায় এলন মাস্ক। নিউরোলিঙ্ক নিয়ে পরীক্ষায় এলন মাস্ক।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 13 Feb 2022,
  • अपडेटेड 10:23 AM IST
  • নিউরোলিঙ্ক প্রযুক্তি আনার ভাবনা এলন মাস্কের।
  • বাঁদরের উপর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ।
  • বেশিরভাগ বাঁদরের মৃত্যু।

মানুষের মস্তিষ্কের সঙ্গে যুক্ত থাকবে চিপ। আর সেই চিপের মাধ্য়মে শুধুমাত্র মানব-ভাবনায় নিয়ন্ত্রিত হবে কম্পিউটার থেকে স্মার্টফোনের মতো ডিভাইস। স্পর্শ করার দরকার পড়বে না। এত দিন কল্পবিজ্ঞানের ছবিতেই তা দেখা গিয়েছে। এবার নিউরোলিঙ্ক প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু করেছে এলন মাস্কের সংস্থা। নিউরালিঙ্ক আদতে একটি ছোট্ট চিপ, যা মানুষের মস্তিষ্কের ভিতরে ইমপ্ল্যান্ট করা হবে। যদিও তা কতটা বাস্তব নিয়ে চলছে জোর চর্চা। কারণ বাঁদরের উপর পরীক্ষামূলক প্রয়োগে ইতিবাচক ফল মেলেনি।  

নিউরোলিঙ্ক ভাবনা যতটা সহজ, বাস্তবে ঠিক ততটাই বিপজ্জনক। একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ২৩টি বাঁদরের উপরে নিউরোলিঙ্ক চিপ পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছিল। মৃত্যু হয়েছে ১৫টি বাঁদরের। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৭ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত এই পরীক্ষা করা হয়েছিল। এনিয়ে রিপোর্ট করেছিল বিজনেস ইনসাইডার ও নিউইয়র্ক পোস্টও। পশু অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ফিজিসিয়ানস কমিটি ফর রেসপন্সিবল মেডিসিন ৭০০ পাতার একটি রিপোর্ট তৈরি করেছে। তাতে বলা হয়েছে, মস্তিষ্কে চিপ লাগানোর পর অসুস্থ হয়ে পড়েছিল বাঁদরগুলি। 

রিপোর্টে এও বলা হয়েছে, বাঁদরগুলির মস্তিষ্ক ছেদ করে চিপগুলি লাগানো হয়েছিল। তাতে সংক্রমণ হয়েছে একাধিক বাঁদরের। পরে মৃত্যু হয়। একটি বাঁদর লাগাতার বমি করতে শুরু করে। সেটি মারা যায়। অটোপসি পরীক্ষা বলছে, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয়েছে বাঁদরগুলির। 

মার্কিন কৃষি বিভাগে অভিযোগ দায়ের করেছে ওই সংগঠন। তাতে এলন মাস্ক ও ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলা হয়েছে। 

নিউরোলিঙ্ক প্রকল্প শুরু হয়েছিল ২০১৬ সালে। তখন বলা হয়েছিল, ব্রেন ডেথ ও মেরুদণ্ডে সমস্যা থাকলেও মানুষ চলাফেরা করতে পারবেন। ডিভাইস চালানো ছাড়াও অবসাদ ও মানসিক রোগের সঙ্গে লড়াই করতে সক্ষম হবে মস্তিষ্ক।    

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement