
নাইট রাইডার্সের শুরুটা ভালো হয়নি। প্রথম ওভারেই তারা অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে (০)-কে হারায়, যিনি মোহাম্মদ সিরাজের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এরপর, ফর্মে থাকা অঙ্গকৃষ্ণ রঘুবংশীকে হারায় কলকাতা, যিনি কাগিসো রাবাদার বলে ৮ রান করে আউট হন। রাবাদা ভালো ফর্মে থাকা টিম সাইফার্টকেও আউট করেন। সাইফার্টের আউট হওয়ার পর দলের স্কোর দাঁড়ায় ৩২/৩।
এরপর রোভমান পাওয়েল ও ক্যামেরন গ্রিন ৫০ রানের জুটি গড়ে দলের পতন প্রাথমিকভাবে রোধ করেন। তবে রানের গতি একেবারেই টি২০-র মতো নয়। ২৭ রান করে পাওয়েল আউট হন। এরপরেই আক্রমণের ধার বাড়াতে থাকেন গ্রিন। রশিদ খানের পর অশোক শ্র্মার বিরুদ্ধেও শট মারতে থাকেন অজি ক্রিকেটার। ধীরে ধীরে ছন্দে আসছেন গ্রিন। ৩৫ বলে ৫০ রানের ইনিংসের শুরুটা ধীরে হলেও, রান রেট বাড়াতে থাকেন উইকেটে থিতু হয়ে। দলকে কঠিন সময় থেকে বের করার চেষ্টা চালাচ্ছেন ব্যাটার গ্রিন। বল করতে নেমে সেই মেজাজ ধরে রাখতে পারেন কিনা সেটাই দেখার।
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে গুজরাত টাইটান্স এবং কলকাতা নাইট রাইডার্স এখন পর্যন্ত পাঁচটি ম্যাচ খেলেছে। এই ম্যাচগুলোর মধ্যে গুজরাত টাইটান্স তিনটিতে জিতেছে, অন্যদিকে কলকাতা নাইট রাইডার্স জিতেছে মাত্র একটি, এবং বৃষ্টির কারণে একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। গত মরসুমে দল দুটি একবার মুখোমুখি হয়েছিল, যেখানে গুজরাট টাইটান্স ৩৯ রানে জয়লাভ করে।
গুজরাত বনাম কলকাতা মুখোমুখি পরিসংখ্যান
মোট আইপিএল ম্যাচ: ৫
গুজরাট জিতেছে: ৩
কলকাতা জিতেছে: ১
ড্র: ১
গুজরাত টাইটান্স প্লেয়িং ১১: শুভমান গিল (অধিনায়ক), সাই সুদর্শন, জস বাটলার (উইকেটরক্ষক), ওয়াশিংটন সুন্দর, গ্লেন ফিলিপস, রাহুল তেওয়াতিয়া, রশিদ খান, কাগিসো রাবাদা, প্রসিদ কৃষ্ণ, মোহাম্মদ সিরাজ এবং অশোক শর্মা।
কলকাতা নাইট রাইডার্স প্লেয়িং ১১: সুনীল নারিন, টিম সেফার্ট, অজিঙ্কা রাহানে (অধিনায়ক), আংকৃশ রঘুবংশী (উইকেটরক্ষক), ক্যামেরন গ্রিন, রিংকু সিং, রোভম্যান পাওয়েল, রমনদীপ সিং, অনুকুল রায়, কার্তিক ত্যাগী এবং বৈভব অরোরা।