
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালোরের বিরুদ্ধে হারের পর প্লে পফের রাস্তা কঠিন হয়ে গিয়েছে কেকেআর-এর সামনে। তিনটে ম্যাচ বাকি রয়েছে। সব ম্যাচ জিতলেও অজিঙ্কা রাহানেদের তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য দলের দিকে। পরপর ম্যাচ জিতে যে সুযোগ এসেছিল, সেটাই বুধবারের ম্যাচের পর অনেকটা কমে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।
কেকেআর-এর পক্ষে প্লে অফে যাওয়া কি সম্ভব?
উত্তর, এককথায় না। যদিও খাতায়-কলমে তারা এখনও এই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয়নি। কলকাতার হাতে আপাতত তিনটে ম্য়াচ বাকি রয়েছে। কিন্তু, আশা একেবারে নেই বললেই চলে। বাকি ম্য়াচগুলো কলকাতাকে যে কোনও মূল্যে জিততেই হবে। আর শুধুমাত্র জিতলে হবে না, একটা বেশ বড়মাপের ব্যবধানে জিততে হবে। পাশাপাশি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে হবে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, পঞ্জাব কিংস, চেন্নাই সুপার কিংস, রাজস্থান রয়্যালস এবং দিল্লি ক্যাপিটালস যেন তাদের বাকি ম্য়াচগুলো না জিততে পারে। যা কার্যত অসম্ভব। ফলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের যাত্রাপথ যে এখানেই শেষ হয়ে গেল, তা বলা যেতেই পারে।
কীভাবে ম্যাচ হারল কলকাতা?
শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ব্যাঙ্গালোরের সামনে ১৯৫ রানের লক্ষ্য রাখে কলকাতা। তবে সেই লক্ষ্য রায়পুরের মাঠে তেমন বড় কিছু নয়, তা ব্যাঙ্গালোর ব্যাট করতে নামার শুরুতেই বোঝা গিয়েছিল। বিরাট কোহলি দারুণ সেঞ্চুরি করে ম্যাচ বের করে নিয়ে যান। এই জয়ের ফলে, প্লে অফের লড়াইয়ে অনেকটাই এগিয়ে গেল আরসিবি।
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে কলকাতা নাইট রাইডার্সের এই পরাজয়ের অন্যতম প্রধান কারণ হল, বরুণ চক্রবর্তীর অনুপস্থিতি। কেকেআর ব্রিগেডের হয়ে বরুণ শুধুমাত্র উইকেটই শিকার করেন না, রানের গতিতেও লাগাম টেনে ধরেন। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দেন সুনীল নারিন। বুধবারের ম্য়াচে হারের পরও অজিঙ্কা রাহানের দল ২০২৬ আইপিএল টুর্নামেন্টের পয়েন্ট টেবিলে অষ্টম স্থানে দাঁড়িয়ে রয়েছে। যদিও প্লে-অফে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে মাত্র ০.২ শতাংশ।