
শুরুতে ধারাবাহিকতার অভাব দেখা গেলেও, পরপর চার ম্যাচ জিতে প্লে অফের আশা অনেকটাই বাঁচিয়ে রেখেছে কেকেআর। সমীকরণ কঠিন হলেও, অসম্ভব নয়, কারণ এর আগেও কেকেআর এই অসাধ্য সাধন করেছে। দল বদলে গেলেও, আশা ছাড়তে নারাজ কলকাতার সমর্থকরা। কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দাঁড়িয়েও, দলের জয়রথ থামবে না বলেই আশা তাঁদের।
ইতিমধ্যেই লিগ পর্বে দুটি দল প্লে-অফের দৌড় থেকে ছিটকে গিয়েছে। ফলে শেষ মুহূর্তে সমীকরণ আরও জটিল হয়েছে কলকাতার জন্য। তবে অঙ্কের হিসাবে এখনও পুরোপুরি বিদায় নেয়নি শাহরুখ খানের দল। কীভাবে তাঁরা শেষ চারে যেতে পারবে? এটা এখন বড় প্রশ্ন।
বাকি ম্যাচে জিততেই হবে
কেকেআরের সামনে এখন সবচেয়ে বড় শর্ত, বাকি সমস্ত ম্যাচ জিততে হবে। লিগ টেবিলে পয়েন্ট বাড়ানোর পাশাপাশি নেট রান রেটও উন্নত করতে হবে। কারণ একাধিক দল কাছাকাছি পয়েন্টে থাকায় শেষ পর্যন্ত নেট রান রেটই নির্ধারণ করতে পারে শেষ চারের ভাগ্য।
প্রতিপক্ষের হারেও তাকিয়ে কলকাতা
শুধু নিজেদের জয় যথেষ্ট নয়। কেকেআরকে তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য দলগুলির ফলাফলের দিকেও। বিশেষ করে যেসব দল ১৪ বা ১৬ পয়েন্টের আশেপাশে রয়েছে, তাদের কয়েকটি ম্যাচ হারতে হবে। তবেই কলকাতার সামনে সুযোগ তৈরি হতে পারে। অর্থাৎ, প্লে-অফে উঠতে গেলে কেকেআরকে এখন “নিজেদের জিততে হবে, অন্যদের হার কামনা করতে হবে” — এই অবস্থার মধ্যেই এগোতে হচ্ছে।
ব্যাটিং ও বোলিংয়ে ধারাবাহিকতা জরুরি
এই মরসুমে কখনও ব্যাটাররা রান পেয়েছেন, কখনও বোলাররা ম্যাচ জেতানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু দুই বিভাগ একসঙ্গে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দিতে পারেনি। ওপেনিং জুটি দ্রুত রান তুলতে পারলে এবং ডেথ ওভারে বোলাররা নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারলে কেকেআরের সম্ভাবনা বাড়বে।
সমর্থকদের আশা এখনও অটুট
সমীকরণ কঠিন হলেও ক্রিকেটে শেষ পর্যন্ত কিছুই অসম্ভব নয়। অতীতেও আইপিএলে একাধিক দল শেষ মুহূর্তে ঘুরে দাঁড়িয়ে প্লে-অফে জায়গা করে নিয়েছে। তাই কেকেআর সমর্থকরাও এখনও আশাবাদী, দল শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে। আর চারটি ম্যাচ বাকি রয়েছে কলকাতার। প্রতিপক্ষ আরসিবি, গুজরাত, মুম্বই ও দিল্লি। এর মধ্যে অন্তত ৩টি ম্যাচ জিততে হবে। তা না হলে অন্য দলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে।