
লখনউতে দাপট দেখালেন বোলাররা। মহসিন খান যেমন একাই কলকাতা নাইট রাইডার্সের ৫ উইকেট তুলে নিয়েছেন, তেমনই নাইট বোলাররা উইকেট নিয়েছেন ভাগাভাগি করে। তবে রিঙ্কুর দারুণ ইনিংস অস্বীকার করা যায় না। তিনি রুখে না দাঁড়ালে নাইটরা লড়াইয়ের জায়গাই পেত না। শেষ ওভারেও জারি ছিল উত্তেজনা। শামির ছক্কায় ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। তবে তাতে লাভ হয়নি।
সুনীল নারিন বল করবেন কলকাতার হয়ে
স্ট্রাইক নিওচ্ছেন পুরাণ। উল্টোদিকে মার্করাম। প্রথম বলে বোল্ড হলেন পুরাণ। দ্বিতীয় বলে এল ১ রান। মার্করামের ক্যাচ ধরে তৃতীয় বলেই কাজ সেরে ফেলেন নারিন। মাত্র ২ রানের টার্গেট পায় কলকাতা।
সুপার ওভারে ম্যাচ নিয়ে গেলেন শামি
কার্ত্তিক ত্যাগী দু'টো নো বল করলেন। শেষ বলে খেলেন ছক্কা। মাঝেইর বলগুলো ভাল না হলে ম্যাচ হেরেই যেত নাইটরা। ১৫৫ করে ফেলে লখনউ। তবে শামির ব্যাটে সুপার ওভারে যায় ম্যাচ। এটা এবারের আইপিএল-এ প্রথম সুপার ওভার।
লখনউয়ের ব্যাটিং
১৫৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে লখনউয়ের শুরুটা হয়েছিল বিপর্যয়কর। মিচেল মার্শ মাত্র দুইরান করে আউট হয়ে যান। তবে, এরপর ঋষভ পান্ত ও মার্করামের মধ্যে একটি ভালো জুটি গড়ে ওঠে। কিন্তু, ১১তম ওভারে মার্শ আউট হয়ে যান। এরপর ১৩তম ওভারে ৪২ রান করে পাস্ত বিদায় নেন। এরপর লখনউয়ের ইনিংসে বড় ধরনের ধাক্কা লাগে। এই ম্যাচে পুরানও ব্যর্থ হন, তিনি নয় রান করেন।
রিঙ্কু সিং ৮৩ রান করেছেন
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে কেকেআরের শুরুটা হয়েছিল বিপর্যয়কর। এই ম্যাচেও টিম সাইফার্ট রানের খাতা খুলতে ব্যর্থ হন। রাহানেও মাত্র ১০ রান করেন। ক্যামেরন গ্রিন ৩৪ রান করলেও আংক্রিশ, পাওয়েল এবং অনুকূল রায়ও শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হন। তবে, এই ম্যাচে রিঙ্কু সিং দুর্দান্ত পারফর্ম করে ৫১ বলে ৭টি চার ও ৫টি ছক্কাসহ ৮৩ রান করেন। এর ফলে কেকেআর ৭উইকেটে ১৫৫ রান সংগ্রহ করে।
কলকাতা নাইট রাইডার্স (প্লেয়িং ইলেভেন): অজিঙ্কা রাহানে, টিম সেফার্ট, ক্যামেরন গ্রিন, আংক্রিশ রঘুবংশী, রোভমান পাওয়েল, রিংকু সিং, সুনীল নারিন, রমনদীপ সিং, অনুকুল রায়, বৈভব অরোরা, কার্তিক ত্যাগী।
লখনউ সুপার জায়ান্টস (প্লেয়িং ইলেভেন): এইডেন মার্করাম, মিচেল মার্শ, ঋষভ পান্ত, নিকোলাস পুরান, আয়ুশ বাদোনি, মুকুল চৌধুরী, জর্জ লিন্ডে, মহম্মদ শামি, প্রিন্স যাদব, দিগ্বেশ সিং রাঠি, মহসিন খান।