
মরসুমের শুরুতে যে বোলারকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন তুলেছিলেন সমর্থকরা, তাঁকেই এবার মাথায় তুলে নাচছেন। রবিবার সুপার ওভারে যেভাবে তিনি চাপের মুখে ২ উইকেট তুলে নিলেন, তাতে প্রায় হাত থেকে বেরিয়ে যাওয়া ম্যাচ ফের হাতের মুঠোয় পেয়ে গেল নাইটরা। তবে ২০ ওভারের মূল ম্যাচেও দারুণ বল করেছেন নারিন। আর তারপরেই সমর্থকদের একাংশ বলছেন আরও ২ বছর রেখে দেওয়া হোক ক্যারেবিয়ান স্পিনারকে।
কার প্ল্যানে নারিন সুপার ওভারে বল করতে এলেন?
নাইট সমর্থকদের মনে এই প্রশ্নটা বারবার উঁকি দিচ্ছে রবিবারের ম্যাচের পর থেকেই। সুপার ওভারে কে তাঁকে দিয়ে বল করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল? নারিনের জবাব, 'সব কোচেরাই বলল আমার বল করা উচিত। আমি বললাম, ঠিক আছে।' ম্যাচ শেষ হওয়ার পর, সঞ্চালকের প্রশ্নের উত্তরে নারিন বলেন, 'আসলে এই সময়ে খুব একটা বিকল্প থাকে না হাতে। সুপার ওভারের পরিস্থিতি খুবই কঠিন। তবে আমার মতে, প্রথমে সুপার ওভার করা বেশ সহজ ব্যাপার।' লখনউয়ের তিন ক্রিকেটারকে আউট করার পরেও বিশেষ উচ্ছ্বাস করতে দেখা যায়নি নারাইনকে। কেন তিনি সেলিব্রেট করলেন না? এ প্রসঙ্গে তাঁর উত্তর, 'ক্রিকেট খুব শক্ত খেলা। তাই উচ্ছ্বাসের মতো বিষয় নিয়ে ভাবার সময় থাকে না। আমি তো সে সব নিয়ে চিন্তাও করি না।'
কীভাবে পুরানকে আউট করলেন নারিন?
প্রথম বলেই স্বদেশি নিকোলাস পুরানকে আউট করে দেন নারিন। সেই প্রসঙ্গে নারিনের উত্তর, 'আগে থেকে কোনও পরিকল্পনা ছিল না। পরিস্থিতি এ সব বিষয় সহজ করে দেয়। গোটা দলের জন্য খুশি। আমরা খোঁড়াচ্ছিলাম। একটা একটা ম্যাচ ধরে এগোনোর চেষ্টা করলেই আমরা ভাল খেলব।'
শেষ ওভারে দু'টো নো বল করে ম্যাচ প্রায় হাতের থেকে বের করে দিয়েছিলেন কার্ত্তিক ত্যাগি। যদিও তরুণ এই বোলাররে পাশেই দাঁড়িয়েছেন নারিন। তিনি বলেন, 'এই ধরনের পরিস্থিতিতে খেলা খুবই কঠিন। সিনিয়র হোক বা জুনিয়র, সকলের কাছেই কঠিন। প্রতিটা ভুল থেকেই শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যেতে হয়। সেটা সংশোধন করতে হয়। অবশ্য আমি সুপার ওভার করতে আসার সময় গোটা দল পাশে ছিল। বলছিল, বেশি না ভাবতে।'