
১৫৬ রান তাড়া করতে নেমে চাপে পড়ে গিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। ঘরের মাঠে এবারের আইপিএল-এ প্রথম ম্যাচ জিতল রাজস্থান রয়্যালস। অবশেষে ফর্মে ফিরলেন রিঙ্কু সিং ও বরুণ চক্রবর্তী। রিঙ্কু ফের ফিনিশারের ভূমিকায়। তবে সপ্তম ম্যাচে জয় পেয়ে কি আদৌ লাভ হবে কলকাতার। তারা কি যেতে পারবে প্লে অফে? এটাই এখন বড় প্রশ্ন।
১৫৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কেকেআরের শুরুটা হয়েছিল বিপর্যয়কর। দুই ওপেনার, টিম সাইফার্ট এবং অজিঙ্ক রাহানে, কেউইরানের খাতা খুলতে পারেননি। এরপর ক্যামেরন গ্রিন ২৭ রানের একটি ইনিংস খেলে ইনিংসকে স্থিতিশীল করার চেষ্টা করলেও স্ট্যাম্পিং-এর শিকার হন। অঙ্গকৃষ্ণ রঘুবংশীর ওপর দলের অনেক আশা ছিল, কিন্তু তিনিও মাত্র ১০ রান করে আউট হয়ে যান। ১৩ বলে ২৭ রান করে আউট হন ক্যামেরন গ্রিন। রভমন পাওয়েল ২৩ রান করে আউট হওয়ার পর বিপদে প্রতে যায় কলকাতা। ঠিক সেই সময়ই দলে ঘুরে দাঁড় করান রিঙ্কু। তাঁকে সঙ্গ দেন অনুকুল রায়।
টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর, রাজস্থানের ইনিংসের সূচনা করেন বৈভব সূর্যবংশী এবং যশস্বী জয়সওয়াল। দুজনেই স্থির সূচনা করেন। ষষ্ঠ ওভারে, তাঁরা দলের স্কোর ৫০ পার করান। নবম ওভারে বৈভব সূর্যবংশীর উইকেট পতনের মধ্য দিয়ে রাজস্থান প্রথম ধাক্কা খায়। বরুণ তাঁর স্পিনে বৈভবকে ফাঁদে ফেলেন এবং তিনি ২৮ বলে ৪৬ রান করে আউট হন। বৈভব ছয়টি চার ও দুটি ছক্কা মেরেছিলেন।
এরপর ১১তম ওভারে যশস্বী জয়সও য়ালের উইকেট পড়ে যায়। ধ্রুব জুরেলও অল্পরানে আউট হন। জুরেল মাত্র পাঁচ রান করেন। নয়টি উইকেট হারিয়ে রাজস্থান মাত্র ১৫৫ রান করতে সক্ষম হয়। বরুণ চক্রবর্তী তিনটি উইকেট নেন।
রাজস্থান রয়্যালস (প্লেয়িং ইলেভেন): বৈভব সূর্যবংশী, যশস্বী জয়সও য়াল, ধ্রুব জুরেল (উইকেটরক্ষক), রিয়ান পরাগ, শিমরন হেটমায়ার, ডোনোভান ফেরেরা, রবীন্দ্র জাদেজা, জোফরা আর্চার, নন্দ্রে বার্গার, ব্রিজেশ শর্মা, রবি বিষ্ণোই।
কলকাতা নাইট রাইডার্স (প্লেয়িং ইলেভেন): অজিঙ্কা রাহানে, টিম সেফার্ট, ক্যামেরন গ্রিন, রোভম্যান পাওয়েল, রিঙ্কু সিং, সুনীল নারিন, রমনদীপ সিং, অনুকুল রায়, বৈভব অরোরা, কার্তিক ত্যাগী, বরুণ চক্রবর্তী।