
শেষ ম্যাচ খেলার আগেই দল ছেড়ে বাড়ি চলে গেলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। বৃহস্পতিবার মরণ বাঁচন ম্যাচ খেলতে নামছে চেন্নাই সুপার কিংস। বৃহস্পতিবার খেলতে নামবে গুজরাতের বিরুদ্ধে। তার আগেই ধোনি চলে গেলেন তাঁর বাড়ি রাঁচিতে। এই মরসুমে এখনও একটি ম্যাচও খেলেননি ধোনি। এর মধ্যেই ধোনি ও চেন্নাই শিবিরের সম্পর্ক নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।
আইপিএল-এ এখনও এক্টাও ম্যাচ না খেলা ধোনির ফিটনেস সম্পর্কে জানানো হয়েছিল, তাঁর পায়ের পেশিতে টান লেগেছে। প্রথমে মনে করা হয়েছিল, দু’সপ্তাহের মধ্যেই তিনি সুস্থ হয়ে ফিরবেন। কিন্তু সেই চোট সারতে অনেক বেশি সময় লেগে যায়। আর সেই সময় এতটাই বেশি যে, এবারে একটাও ম্যাচ খেলতে পারলেন না তিনি।
অনুশীলনে তাঁর উইকেটকিপিং ও ব্যাটিং-এর ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছে চেন্নাই সুপার কিংস। যা দেখে আপাতভাবে তাঁকে সুস্থ হচ্ছেন বলে মনে করেছিলেন অনেক ক্রিকেটপ্রেমী। ধোনির এভাবে বাড়ি ফিরে যাওয়ায় তাঁরা যে আরও বেশি আঘাত পেয়েছেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মাঠে নামেননি তিনি। শুধু তাই নয়, বেশির ভাগ ম্যাচে মাঠেও যাননি ধোনি। সোমবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের (SRH) বিরুদ্ধে চেন্নাইয়ের ম্যাচে চিপকে (Chepauk) তাঁকে দেখা গিয়েছিল।
নতুন রিপোর্টে বলা হয়েছে, পুরনো চোট পুরোপুরি সেরে গিয়েছিল। এমন কী, শেষ দু’টি ম্যাচের জন্য নাকি তিনি পুরোপুরি প্রস্তুতও ছিলেন। কিন্তু গত ১০ ম্যাচে যে টিম কম্বিনেশন তৈরি হয়েছে, সেটা ভাঙতে চাননি বলেই মাঠে নামেননি ধোনি।
তা হলে কী হল ধোনির?
সোমবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ম্যাচে ধোনির খেলার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু আচমকাই তাঁর বুড়ো আঙুলে নতুন করে চোট লাগে বলে জানা যায়। সেই কারণেই নাকি তিনি রাঁচিতে ফিরে গিয়েছেন। তবে শুধু চোটই কারণ কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। কিছু রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, গত দু’বছরে চেন্নাই সুপার কিংসের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে ধোনির সম্পর্ক আগের মতো নেই।