
দারুণ ক্যাচ রভম্যান পাওয়েলের। হায়দরবাদের বিরুদ্ধে টসে হেরে শুরুতে ফিল্ডিং করতে নামতে হয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে। শুরুটা একেবারেই পরিচিত ঢঙে করেছিল অরেঞ্জ আর্মি। একের পর এক বাউন্ডারি মেরে কেকেআর বোলারদের চাপে ফেলে দেন ট্রভিস হেড ও অভিষেক শর্মা। তবে ১০ বল খেলে ১৫ রান করে আউট হন অভিষেক। যদিও, হেড মারতে থাকেন।
হেডের ইনিংস শেষ হয় ৬১ রান করে। তাও মাত্র ২৮ বলে। বড় শট খেলতে গিয়ে ডিপ মিড-উইকেটে গ্রিনের হাতে ক্যাচ তুলে দেন। তবে আলোচনার কেন্দ্রে ক্লাসেনের আউট। ওয়েস্ট ইন্ডিজের তারকা রভম্যান পাওয়েলের ক্যাচকে মরসুমের সেরা ক্যাচও বলছেন অনেকেই।
কীভাবে ক্যাচ নিলেন পাওয়েল?
অফ-স্টাম্পের বেশ বাইরের দিক দিয়ে আসা এই বাউন্সারটিকে ক্লাসেন 'পুল' করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু শেষমেশ তিনি বলটির টাইমিং বা লয় মেলাতে ব্যর্থ হন। ডিপ মিডউইকেট অঞ্চলে ফিল্ডিং করছিলেন পাওয়েল। বলের দিকে ছুটে এলেও মনে হচ্ছিল তিনি যেন কিছুটা বেশিই দৌড়ে ফেলেছেন। পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে তিনি ডান হাতটি গ্লাভসের মতো প্রসারিত করে সজোরে ঝাঁপিয়ে পড়েন। পাওয়েল যখন মাটিতে আছড়ে পড়ছিলেন এবং তাঁর মাথাও মাটিতে ঠুকে যায়। ঠিক সেই মুহূর্তটিতেও বলটি তাঁর হাতে আটকে থাকে। এই সময় তাঁর চশমাটিও ভেঙে যায়; তবে তৃতীয় আম্পায়ার রিপ্লে বা পুনঃপ্রচারের দৃশ্যগুলো বারবার পর্যবেক্ষণ করে নিশ্চিত হন যে ক্যাচটি 'ক্লিন' বা নিখুঁত ছিল।
যদিও দেখা যায়, মাটিতে পড়ার সময় পাওয়েলের হাত জমি স্পর্শ করেছিল। শেষমেশ আম্পায়ার নিশ্চিত হন ক্লাসেন প্যাভিলিয়নের পথে পা বাড়ান।
কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্লেয়িং ১১: অজিঙ্কা রাহানে (অধিনায়ক), আংক্রিশ রঘুবংশী (উইকেটরক্ষক), ক্যামেরন গ্রিন, রোভম্যান পাওয়েল, মনীশ পাণ্ডে, রিঙ্কু সিং, অনুকুল রায়, সুনীল নারিন, বৈভব অরোরা, কার্তিক ত্যাগী এবং বরুণ চক্রবর্তী।
সানরাইজার্স হায়দরাবাদ প্লেয়িং ১১: অভিষেক শর্মা, ট্র্যাভিস হেড, ইশান কিশান, হেনরিক ক্লাসেন, সলিল অরোরা (উইকেটরক্ষক), অনিকেত ভার্মা, স্মরণ রবিচন্দ্রন, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), শিবাৎ কুমার, হর্ষাল প্যাটেল এবং ইশান মালিঙ্গা।