
Angkrish Raghuvanshi out controversy: আইপিএলের টানটান উত্তেজনা ছাপিয়ে এখন আলোচনার কেন্দ্রে এক বিতর্কিত আউট। কেকেআর বনাম লখনউ সুপার জায়ান্টস ম্যাচে নাইট ব্যাটার অঙ্গকৃষ রঘুবংশীর প্যাভিলিয়নে ফেরা নিয়ে উত্তাল ক্রিকেট দুনিয়া। রান আউট কিংবা ক্যাচ নয়, তরুণ এই তুর্কি সাজঘরে ফিরলেন 'অবস্ট্রাকটিং দ্য ফিল্ড' (Obstructing the field) অর্থাৎ ফিল্ডিংয়ে বাধা দেওয়ার দায়ে। আম্পায়ারের এই সিদ্ধান্তে যখন মাঠের ভেতর কেকেআর শিবির হতভম্ব, তখন মাঠের বাইরে শুরু হয়েছে নিয়মের চুলচেরা বিশ্লেষণ।
ঠিক কী ঘটেছিল ইডেনে?
লখনউয়ের বিরুদ্ধে ব্যাটিং করার সময় একটি রান নিতে গিয়েই বাঁধে বিপত্তি। দেখা যায়, বল যখন ফিল্ডারের হাতে এবং তিনি স্টাম্প লক্ষ্য করে থ্রো করছেন, ঠিক তখনই অঙ্গকৃষের শরীর বা দৌড়ানোর গতিপথ ফিল্ডারের নিশানায় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ফিল্ডিং সাইড আউটের আবেদন জানালে থার্ড আম্পায়ারের দ্বারস্থ হন অন-ফিল্ড আম্পায়াররা। রিপ্লে দেখে আম্পায়ার নিশ্চিত হন যে, ব্যাটার ইচ্ছাকৃতভাবে বলের পথে বাধা তৈরি করেছেন। ফলাফল— আঙুল তুলে আউটের নির্দেশ।
কী বলছে ক্রিকেটের নিয়ম?
ক্রিকেটের আইন প্রণেতা সংস্থা এমসিসি (MCC)-র ৩৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যাটার কথা বা কাজের মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে ফিল্ডিং করা দলকে বাধা দেন কিংবা ফিল্ডারের মনোযোগ নষ্ট করার চেষ্টা করেন, তবে তিনি আউট বলে গণ্য হবেন। আইপিএলের নিয়মেও এই ধারাটি অত্যন্ত কড়াভাবে পালন করা হয়। বল স্টাম্পে লাগতে পারে বুঝে যদি ব্যাটার শরীর দিয়ে তা আটকানোর চেষ্টা করেন বা দৌড়ানোর পথ বদলে বলের সামনে চলে আসেন, তবে তা অপরাধ হিসেবেই গণ্য হয়।
বিতর্কের মূলে কী?
কেকেআর ভক্তদের একাংশের দাবি, অঙ্গকৃষ নিজেকে বাঁচাতে দৌড়াচ্ছিলেন, ফিল্ডিংয়ে বাধা দেওয়া তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। তবে ক্রিকেটের নিয়মে 'ইচ্ছাকৃত' বিষয়টি আম্পায়ারের ব্যাখ্যার ওপর নির্ভর করে। অঙ্গকৃষের এই আউট নাইটদের রানের গতিতে কিছুটা ব্রেক কষলেও, ক্রিকেটের অমোঘ নিয়মই এদিন শেষ কথা বলল। ম্যাচের এই একটি সিদ্ধান্তই এখন আইপিএলের অন্যতম চর্চিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।