Advertisement

Vinod Kambli: 'যারা জীবনে একটু কম পেয়েছে...' কাম্বলির আইসক্রিমের বিজ্ঞাপন দেখে চোখে জল ভক্তদের

তাঁর স্বাস্থ্যের অবস্থা নিয়ে কিছুদিন আগে ছড়িয়েছিল 'গুজব'। সেই গুজব এড়িয়ে বন্ধু সচিন তেন্ডুলকরের জন্মদিনে খুদে ক্রিকেটারদের মধ্যে  আইসক্রিম বিতরণ করে ফের শিরোনামে আসেন বিনোদ কাম্বলি। সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। কেবল শুভেচ্ছা জানিয়েই ক্ষান্ত থাকেননি তিনি, দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ফিরে গিয়েছিলেন তাঁদের ক্রিকেটের আঁতুড়ঘর মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে।

বিনোদ কাম্বলি আইসক্রিম বিজ্ঞাপনবিনোদ কাম্বলি আইসক্রিম বিজ্ঞাপন
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 29 Apr 2026,
  • अपडेटेड 2:26 PM IST

তাঁর স্বাস্থ্যের অবস্থা নিয়ে কিছুদিন আগে ছড়িয়েছিল 'গুজব'। সেই গুজব এড়িয়ে বন্ধু সচিন তেন্ডুলকরের জন্মদিনে খুদে ক্রিকেটারদের মধ্যে  আইসক্রিম বিতরণ করে ফের শিরোনামে আসেন বিনোদ কাম্বলি। সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। কেবল শুভেচ্ছা জানিয়েই ক্ষান্ত থাকেননি তিনি, দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ফিরে গিয়েছিলেন তাঁদের ক্রিকেটের আঁতুড়ঘর মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে।

ভিডিওতে তাঁদের পুরনো রসায়ন ধরা পড়ে যখন কাম্বলি বলেন, 'অ্যায় পার্টনার, আজ সেলিব্রেশন তো বনতা হ্যায়। হ্যাপি বার্থডে পার্টনার।’ এই একটি সংলাপেই ভক্তরা ফিরে গিয়েছেন মুম্বইয়ের সেই ময়দানে, যেখানে দুই কিশোর একদিন বিশ্ব ক্রিকেটে রাজত্ব করার স্বপ্ন দেখেছিলেন।

পুরনো স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে কাম্বলি বলেন, ‘২৪ এপ্রিল আমার কাছে সবসময়ই খুব বিশেষ একটা দিন। প্রতি বছর এই দিনে আমি আমার পার্টনার সচিনকে মনে করি। আমাদের ছোটবেলার সেই দিনগুলো, একসঙ্গে জন্মদিন পালন করা আর মাঠ দাপিয়ে বেড়ানো, সবটাই আমার স্মৃতিতে অমলিন। আমাদের এই বন্ধন কোনওদিন ভাঙার নয়।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া

সরল অথচ মর্মস্পর্শী পরিবেশ এবং তার সঙ্গে কাম্বলির কণ্ঠস্বর অনলাইনে আবেগের বন্যা বইয়ে দিয়েছে। 'এই বিজ্ঞাপন এবং এর কাস্টিং দেখে আমি খুশি।' এমন লিখেছেন একজন ভক্ত। আর অন্য একজন লিখেছেন, 'বিজ্ঞাপনটি যে উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে, তার চেয়েও অনেক বেশি কিছু বলে দেয়। অসাধারণ।'

বেশ কয়েকটি মন্তব্যে এই ক্রিকেটারের প্রশংসা করা হয়েছে। একজন লিখেছেন, 'ফিরে এসে সফল হওয়ার কোনো পূর্বনির্ধারিত বয়স বা সময় নেই, কাম্বলি তুমি মানুষকে অনুপ্রাণিত করে চলেছ।' আরেকজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, 'চমৎকার। তাঁকে দেখে ভালো লাগলো। শুধু বিনোদ কাম্বলির জন্যই আমি এই আইসক্রিম ব্র্যান্ডটি কেনা শুরু করব।' আরও একজন আবেগঘন মন্তব্যে করেছেন। সেখানে লেখা হয়েছে, 'কাম্বলির কণ্ঠ শুনে আমার চোখে জল এসে গেল।'

আগামীর স্বপ্ন দেখা ক্ষুদে ক্রিকেটারদের মাঝে সচিনের জন্মদিন পালন করেন তিনি। কচিকাঁচাদের সঙ্গে আইসক্রিম ভাগ করে নেন কাম্বলি। আইসক্রিম খেতে খেতে কাম্বলি সচিনের সঙ্গে শৈশবের দিনে ফিরে যাচ্ছিলেন। কাম্বলির এই সেলিব্রেশনে নস্টালজিয়া কেবল মনে রাখা হয়নি, বরং তা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। শিবাজি পার্কের ধুলোমাখা মাঠে কাম্বলির এই উপস্থিতি মনে করিয়ে দিল যে, সাফল্য আসুক বা না আসুক, মাঠের সেই পুরনো বন্ধুত্ব আর আবেগ কোনোদিন ম্লান হয় না।

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement