
১৫ অগাস্ট শ্রীলঙ্কায় দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে নামবে টিম ইন্ডিয়া। ভারতের কাছে এই টেস্ট সিরিজ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই সিরিজের সঙ্গে জড়িয়ে BCCI-এর প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকার ও হেডকোচ গৌতম গম্ভীরের কেরিয়ারও। একই সঙ্গে ভাগ্য নির্ধারণ করবে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ (WTC)-তে ভারতের অবস্থানও।
শ্রীলঙ্কা সফর চ্যালেঞ্জ ভারতীয় দলের কাছে
একাধিক প্লেয়ারের চোট ও লাগাতার খারাপ পারফর্ম্যান্সের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে টিম ইন্ডিয়া। তাই শ্রীলঙ্কা সফরে টেস্ট সিরিজ জেতা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। একই সঙ্গে ভারতীয় দলের ভবিষ্যত্ আগামীতে কার হাতে যেতে চলেছে, তারও রূপরেখা মিলতে পারে এই সিরিজে পারফর্ম্যান্সের উপর। 'হিন্দুস্তান টাইমস'-এর খবর অনুযায়ী, এই মুহূর্তে BCCI-তে সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতে রয়েছেন অজিত আগরকরা। তাঁকে প্রধান নির্বাচক পদে রাখা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। সেপ্টেম্বরে BCCI-এর বার্ষিক সাধারণ সভা বা AGM হবে। সেই মিটিংয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
অজিত আগরকারের বিদায়ের সম্ভাবনা
শ্রীলঙ্কা সফরে যদি ভারতীয় দলের পারফর্ম্যান্স হতাশাজনক হয়, তা হলে অজিত আগরকারের বিদায়ের সম্ভাবনা জোরাল। অন্যদিকে হেডকোচ গৌতম গম্ভীরের সিদ্ধান্ত নিয়েও নানা সমালোচনা উঠলেও, তুলনামূলক কম চাপ রয়েছে গম্ভীরের। কারণ এখনও গম্ভীরের কোচিংয়ের উপরেই ভরসা রাখছে বিসিসিআই। ২০২৭ সালে ওয়ান ডে বিশ্বকাপেও গম্ভীরকেই কোচের দায়িত্বে রাখার চিন্তাভাবনা করছে বোর্ডের একটি অংশ। তবে শ্রীলঙ্কায় খারাপ পারফর্ম্যান্স হলে, গম্ভীরের কেরিয়ারও সঙ্কটে পড়তে পারে।
রোহিত শর্মাকে নিয়ে এখনও সাসপেন্স
রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক রোহিত শর্মা একদিনের ক্রিকেটের কেরিয়ারেও পুরোপুরি সুরক্ষিত নন। ২০২৭ সালের বিশ্বকাপ পর্যন্ত রোহিতকে টিমে রাখার বিষয়ে নির্বাচক মণ্ডলী ও টিম ম্যানেজমেন্টের একটি অংশ দোটানায় রয়েছে। তাঁদের খুব একটা ইচ্ছে নেই রোহিতকে ২০২৭ সালের বিশ্বকাপেও খেলানোর বিষয়ে। সম্প্রতি লর্ডসের সেঞ্চুরি খানিকটা হলেও রোহিতের জায়গা পক্ত করলেও, আগামী ম্যাচগুলিতে তাংর পারফর্ম্যান্সে কড়া নজর রাখবে বিসিসিআই।
লক্ষ্মণের বেতন আগরকারের চেয়ে ৪ গুণ বেশি
ভারতীয় ক্রিকেটে আরেকটি চর্চা চলছে ভিভিএস লক্ষ্মণকে নিয়ে। একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, লক্ষ্মণকে ভবিষ্যতে অজিত আগরকারের জায়গায় ভাবা হচ্ছে। অর্থাত্ ভারতীয় দলের প্রধান নির্বাচক পদে। লক্ষ্মণ বর্তমানে বিসিসিআই-এর সেন্টার অফ এক্সিলেন্সের প্রধান। লক্ষ্মণের পারিশ্রমিক অজিত আগরকারের থেকে প্রায় ৪ গুণ বেশি। সে ক্ষেত্রে ভিভিএস লক্ষ্মণকে প্রধান নির্বাচক করতে হলে পারিশ্রমিকও বাড়াতে হবে বিসিসিআই-কে। যা খুব একটা সহজ হবে না।