Advertisement

মুস্তাফিজুরের IPL পরিণতি হতে চলেছে আবরারও? 'হান্ড্রেড' থেকে বাদ পড়ার জল্পনা

'দ্য হান্ড্রেড ২০২৬' ঘিরে এখন ভারতে বিতর্ক তুঙ্গে। মূলত পাকিস্তানি স্পিনার আবরার আহমেদের সঙ্গে 'সানরাইজার্স লিডস'-এর চুক্তি ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। প্রশ্ন হল আইপিএলে মুস্তাফিজুর রহমানের মতো কি আবরারেও কি একই পরিণতি হতে পারে? আবরার আহমেদকে কি 'দ্য হান্ড্রেড' থেকে বাদ দেওয়া যেতে পারে?

IPL-এর মতো দ্য হান্ড্রেড থেকে খেলোয়াড় বাদ দেওয়া সম্ভব? IPL-এর মতো দ্য হান্ড্রেড থেকে খেলোয়াড় বাদ দেওয়া সম্ভব?
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 14 Mar 2026,
  • अपडेटेड 8:39 AM IST
  • 'দ্য হান্ড্রেড ২০২৬' ঘিরে এখন ভারতে বিতর্ক তুঙ্গে।
  • আবরার আহমেদের সঙ্গে 'সানরাইজার্স লিডস'-এর চুক্তি ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছে।
  • মুস্তাফিজুর রহমানের মতো কি আবরারেও কি একই পরিণতি হতে পারে?

'দ্য হান্ড্রেড ২০২৬' ঘিরে এখন ভারতে বিতর্ক তুঙ্গে। মূলত পাকিস্তানি স্পিনার আবরার আহমেদের সঙ্গে 'সানরাইজার্স লিডস'-এর চুক্তি ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। প্রশ্ন হল আইপিএলে মুস্তাফিজুর রহমানের মতো কি আবরারেও কি একই পরিণতি হতে পারে? আবরার আহমেদকে কি 'দ্য হান্ড্রেড' থেকে বাদ দেওয়া যেতে পারে?

বিতর্ক কেন? আগে বুঝে নিন

পাকিস্তানি স্পিনার আবরার আহমেদকে দলে জায়গা দেন কাব্য মারানের মালিকানাধীন ফ্র্যাঞ্চাইজি 'সানরাইজার্স লিডস'। যা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতীয় ফ্যানেরা ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পাকিস্তানি ক্রিকেটারকে কিনতেই নেটিজেনরা কাব্যকে ট্রোল করতে শুরু করেন।

আসলে, 'সানরাইজার্স লিডস' ফ্র্যাঞ্চাইজিটি শিল্পপতি কালানিথি মারানের সান গ্রুপের মালিকানাধীন। এই টিমের CEO হলেন তাঁর মেয়ে কাব্য মারান। কাব্য আইপিএলে-ও সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের CEO। ফলে তিনি পাকিস্তানি খেলোয়াড়কে কিনতেই বিতর্ক চরমে উঠেছে।

আবরার-কে নিয়ে রাগ কেন?

কাব্য মারান ইংলিশ লিগ 'দ্য হান্ড্রেড'-এর জন্য  আবরার আহমেদকে প্রায় ২.৩৪ কোটি টাকা দিয়ে কিনেছেন। কিন্তু, নেটিজেনদের প্রশ্ন, কেন একজন পাকিস্তানি খেলোয়াড় ভারত থেকে এত টাকা উপার্জন করবেন? উল্লেখ্য বিষয় হল, এই আবরার অসংখ্যবার ভারতীয় দল সম্পর্কে কটাক্ষ করেছেন এবং এমনকি ভারতীয় ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে বিষোদগারও করেছেন।

যখন আবরারকে কোটি কোটি টাকায় দর দেওয়া হয়, তখন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কো-ফাউন্ডার এবং CEO কাব্য মারান নিজে নিলামে উপস্থিত ছিলেন। ফলে তাঁকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের যেহেতু IPL থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, সেই হেতু কী ভাবে একজন IPL -এর টিম কর্তা অন্য লিগের জন্য পাকিস্তানি খেলোয়াড় কিনতে পারেন?

মুস্তাফিজুরকে নিয়ে কী হয়েছিল?

২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বিসিসিআই ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (IPL) থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে দলে নেয় KKR। কিন্তু সেই সময় বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের অত্যাচার করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। যার ফলে একজন বাংলাদেশি খেলোয়াড়কে কিনতেই বিতর্ক দেখা যায়। বহু ফ্যানেরা ফিজ-কে বয়কট করার ডাক দেন। এরপর কিছুটা চাপে পড়েই KKR-এর তরফে মুস্তিফিজুরকে রিলিজ দেওয়া হয়। 

Advertisement

এখন আবরারকে নিয়েও কি তেমন পরিস্থিতি হতে পারে?

IPL-এর ক্ষেত্রে বিসিসিআই ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলিকে সরাসরি নির্দেশ দিতে পারে। এমনকি খেলোয়াড় বদলে দিতেও বলতে পারে। কিন্তু, হান্ড্রেড টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হয় ইংল্যান্ডে। এর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে ইংল্যান্ড অ্য়ান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড-এর হাতে।

বিসিসিআইয়ের ভাইস-প্রেসিডেন্ট রাজীব শুক্লা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এই বিষয়টি BCCI-এর এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না। এটি বিদেশি লিগের বিষয়, সেই লিগকেই এবিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বিসিসিআই এ বিষয়ে কিছুই করতে পারে না। 

আবরারকে দ্য হান্ড্রেড থেকে বাদ দিলে কী হবে? 

একজন খেলোয়াড়কে শুধুমাত্র  ইসিবি-র নির্দেশেই বাদ দেওয়া যেতে পারে। একটি দল ইচ্ছামত একজন খেলোয়াড়কে ছেড়ে দিতে পারে না। সামগ্রিকভাবে, কেউই সেই খেলোয়াড়কে বাদ দিতে পারে না; খেলোয়াড় যদি নিজে থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেয় তবে তা আলাদা কথা। এক্ষেত্রে 

টুর্নামেন্ট চলাকালীন যদি কোনও বিশেষ বা ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি দেখা দেয়, তাহলে একটি দল ECB -র নিয়ম অনুসারে একটি লিখিত অনুরোধ করতে পারে। এই অনুরোধটি কমিটির কাছে পাঠানো হয়। দলকে অবশ্যই ব্যাখ্যা করতে হবে কোন পরিস্থিতিতে এবং কেন একজন খেলোয়াড়কে বাদ দেওয়া হবে। যদি এরপর কমিটি গ্রিন সিগন্যাল দেয়, তবেই সেই খেলোয়াড়কে বাদ দেওয়া সম্ভব।
 

Read more!
Advertisement
Advertisement