
লখনউয়ে প্রথম টি-টোয়েন্টিতেই দাপট ভারতের। শুরুতে পর পর দুই উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়েছিল শ্রেয়সরা। কিন্তু তার পরেই ম্যাচের ছবি গেল বদলে। অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ারের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ১৭২ রানের টার্গেট কার্যত ছেলেখেলায় পরিণত হল। ৪৩ বলে অপরাজিত ১০২ রান করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়লেন শ্রেয়স।
জয়ের ব্যবধান ৮ উইকেট। মাত্র ১৪.৪ ওভারেই রান তুলে ফেলল ভারত। ফলে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল তারা। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ হবে ৯ অক্টোবর, শুক্রবার। রাঁচিতে মুখোমুখি হবে দুই দল।
টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নির্ধারিত ২০ ওভারও খেলতে পারেনি তারা। ১৭১ রানেই অলআউট হয়ে যায় ক্যারিবীয় দল।
শুরুতেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে চাপে ফেলে ভারতীয় বোলিং। অর্শদীপ সিংহ এনে দেন প্রথম সাফল্য। দুর্দান্ত ইয়র্কারে কামিল পুরানকে বোল্ড করেন তিনি। ১২ রান করেই ফিরতে হয় পুরানকে।
এর পর রান আউট হয়ে যান শিমরন হেটমায়ার। ক্রিজে পৌঁছতে গিয়ে ডাইভ দেওয়ার সময় তাঁর ব্যাট মাটি ছুঁতে পারেনি। সুযোগ কাজে লাগায় ভারত।
অক্ষর পটেলের স্পিনেও সমস্যায় পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বড় শট খেলতে গিয়ে বোল্ড হন রভম্যান পাওয়েল।
শুরুতেই ধাক্কা ভারতের
১৭২ রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা অবশ্য স্বস্তির ছিল না। প্রথমেই ফিরে যান অভিষেক শর্মা। রস্টন চেজের বলে লং অফে ক্যাচ তুলে দেন।
এর পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি সঞ্জু স্যামসনও। অ্যালিক হোসেনের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে বসেন ভারতীয় উইকেটরক্ষক-ব্যাটার। পর পর দুই উইকেট পড়ে যাওয়ায় চাপ তৈরি হয়েছিল।
সেখান থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হাতে নেন শ্রেয়স এবং ঈশান কিশন।
অভিষেকেই নমানের চমক
এদিন ভারতের হয়ে টি-টোয়েন্টি অভিষেক করলেন নমান ধীর। তিনিও নজর কেড়েছেন। তাঁর বলে আউট হন শাই হোপ।
নমান বলের লেংথ কিছুটা পিছিয়ে দেন। বল পিচে পড়ে সামান্য ঘোরে। সেই বল ঠিক মতো খেলতে পারেননি হোপ। মিড অফে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি।
অভিষেক ম্যাচেই গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়ে নমান বুঝিয়ে দিলেন, কেন তাঁকে ভারতীয় দলে সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
সামনে এখন রাঁচিতে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি। সেখানে সিরিজে সমতা ফেরানোর লক্ষ্য নিয়েই নামবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ভারত এই পারফরম্যান্স ধরে রাখতে পারে কিনা, সেটাই দেখার।