
আইসিসি টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের ব্যাটিং বিপর্যয়। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ৭৬ রানে হেরেছে মেন ইন ব্লু। ১৮৮ রানের টার্গেট তাড়া করতে গিয়ে ১১৮ রানেই গুটিয়ে যায় সূর্যকুমার ব্রিগেড।
আর সেই কারণে গ্রুপ ১-এর অঙ্ক বদলে গিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ভারতের অবস্থা প্রায় ডু-অর-ডাই। এরপর সব ম্যাচ জিততেই হবে সূর্যকুমার ব্রিগেডকে। নইলে জার্সি, কিট গুটিয়ে বাড়ি।
মাথায় রাখতে হবে যে এ দিনের ম্যাচে দারুণ বল করেন জসপ্রীত বুমরা। তাঁর আগুনে বোলিংয়ের দৌলতেই ১৮৭ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ইনিংস শেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকা।
এই ম্যাচের শুরুতেই বড় ঝটকা খায় প্রোটিয়া ব্রিগেড। ২০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে দক্ষিণ আফ্রিকা। যদিও, তারপর ঘুরে দাঁড়ায় দল। ডেভিড মিলার দারুণ খেলেন। তিনি ৩৫ বলে করে ফেলেন ৬৩ রান। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দেন নতুন ব্যাটার ডিওয়াল্ড ব্রেভিস। তিনি করেন ৪৫ রান। ওদিকে আবার ট্রিস্টান স্টাবস করেন ৪৪ রান। তাতেই ১৮৭ রানের গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলে ভারত।
তারপর ব্যাট করতে নেমে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে ভারতীয় দল। শূন্য রানে আউট হয়ে ফিরে যান ঈশান কিষান। তারপর একে একে উইকেট পড়তে থাকে। আর হারের পর চোখে-মুখে দুঃখের রেশ দেখা যায় অধিনায়ক সূর্যকুমারের মুখে। ডাগআউটে বসে তাঁকে সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করতে দেখা যায়। এমনকী হতে থাকে কথা কাটাকাটি।
এই সময় সূর্যের চোখে ছিল রাগও। আসলে কোচ গৌতম গম্ভীরের স্ট্র্যাটেজি একবারেই কাজ করেনি এই ম্যাচে। তার ফলে খুবই খারাপ অবস্থা হয় ভারতের। এমন পরিস্থিতিতে সূর্য গম্ভীরের সঙ্গেও কথা বলেন। আর চুপচাপ সেই কথা শুনতে থাকেন গম্ভীর।
কী হয় ভাপতের অবস্থা?
এ দিন শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে ভুগতে থাকে ভারত। ঈশান শূন্য রানে আউট হওয়ার পরই তিলক ভার্মাও ১ রানে ফিরে যান। যথারীতি আবার ব্যর্থ অভিষেক। তিনি ১৫ রান করেন।
সূর্যকুমার নিজে করেন ১৮। হার্দিক করেন ১৮। শুধু শিবম দুবে একটু ফাইট দেন। তিনি ৪২ রান করেন।
মাথায় রাখতে হবে, এরপর ভারতের ম্যাচ রয়েছে জিম্বাবোয়ের সঙ্গে, ২৬ ফেব্রুয়ারি। আবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে খেলা ১ মার্চ। আর এই দুটি ম্যাচই জিততে হবে ভারতকে। নইলে পরবর্তী পর্যায়ে যাওয়ার আশা কার্যত শেষ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।