
এবারের আইপিল-এ একেবারেই ছন্দে নেই কলকাতা নাইট রাইডার্স। ৫ ম্যাচ খেলে একটাও জয় নেই। পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে একটা পয়েন্ট এসেছে, তাও বৃষ্টির কারণে। অনেকেই মনে করছেন, বড় কিছু বদল না হলে, এ মরসুমে কেকেআর প্লে অফে উঠতে পারবে না। লাগাতার হারের জেরে নাইটদের নেট রানরেটও বেশ ভয়াবহ, -১.৩৮৩। এমন পরিস্থিতিতে রাহানেদের প্লে-অফের (IPL Play-offs) স্বপ্ন কি একেবারেই শেষ? খাতায়-কলমে এখনও সেই সুযোগ থাকলেও, বাস্তবে সেই পথ অত্যন্ত কঠিন। একনজরে দেখে নেওয়া যাক সেই সমীকরণ।
কীভাবে প্লে অফে যেতে পারে কেকেআর
KKR-এর হাতে এখনও ৯টা ম্যাচ আছে। ফলে এখনও ১৮ পয়েন্ট পাওয়ার সুযোগ থাকছে অজিঙ্কা রাহানেদের সামনে। সেটা হলে প্লে অফ নিশ্চিত কেকেআর-এর। ৮টি জিতলে পয়েন্ট হবে ১৭, সেক্ষেত্রে প্লে-অফ প্রায় নিশ্চিত। ৭টি জিতলে হবে ১৫ পয়েন্ট, এক্ষেত্রে নির্ভর করবে নেট রান রেটের উপর। ৬টি জিতলে হবে ১৩ পয়েন্ট, এক্ষেত্রে প্লে-অফের সম্ভাবনা ক্ষীণ, কিন্তু পুরোপুরি শেষ নয়। অর্থাৎ, বাস্তবসম্মতভাবে বলতে গেলে, আগামী ২-৩ ম্যাচই ঠিক করে দেবে কেকেআরের ভাগ্য।
সত্যিই কি প্লে অফে যাওয়ার শর্ত পূরণ করা সম্ভব?
তবে হঠাৎ করে তলানিতে থাকা কোনও দল দারুণ খেলতে শুরু করে দেবে, সব ম্যাচ জিতে যাবে এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা বেশ কম। বিশেষ করে যেখানে দলের তারকা ক্রিকেটারদের ফর্ম একেবারেই নেই। ফলে কঠিন কাজটাই এখন করতে হবে রাহানেদের। পরপর ম্যাচ জয় ছাড়া অন্য কিছুই ভাবার সময় নেই কেকেআর-এর। অনেকে আবার বলছেন, একটা ম্যাচ জিততে পারলেই, পরিস্থিতি অনেকটা অনুকুলে আসতে পারে। তবে তা না হলে, অন্তত এ মরসুমে চাপ আছে শাহরুখ খানের দলের।
তিন বারের চ্যাম্পিয়নরা এবারে কিনেছিল ক্যামেরন গ্রিনকে। তবে তিনি ফ্লপ। অন্তত প্রথম ৫ ম্যাচে তো বটেই। ২৫ কোটি টাকার তারকা, এই অজি অলরাউন্ডার প্রথম পাঁচ ম্যাচে করেছেন মাত্র ৫৬ রান। বল হাতেও খুব একটা ব্যবহার করা হচ্ছে না। তাঁর ফর্ম কেকেআরের বড় চিন্তার কারণ। দুই স্পিনারের উপর গত কয়েক বছর ধরেই ভরসা করে এসেছে নাইটরা। সেই বরুণ চক্রবর্তী একেবারেই ছন্দে নেই। ছন্দে নেই অভিজ্ঞ সুনীল নারিনও। ফলে বোলিং বিভাগের সমস্যা আরও বেড়ে গিয়েছে।