
বৃহস্পতিবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের (Sunrisers Hyderabad) বিরুদ্ধে ম্যাচে ৬৫ রানে হারতে হয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে। আর এই হারের অন্যতম কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে ক্যামেরন গ্রিনের রান আউটকে। অঙ্গকৃষ রঘুবংশীর সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির কারণে তাঁর রান আউট হওয়ার ঘটনাকে অনেকেই টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে দেখছেন।
কী ঘটেছিল?
কেকেআর-এর ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে ঘটে এই ঘটনা। ঈশান মালিঙ্গার করা সেই ওভারের শেষ বলে অঙ্গকৃষ্ণ রঘুবংশী সোজা বোলারের দিকেই একটি শট খেলেন। বলটি ঈশান মালিঙ্গার পায়ে লেগে কাছেই পড়ে, আর এখান থেকেই বিভ্রান্তির শুরু। ক্যামেরন গ্রিন বলের গতি বুঝতে ভুল করে রানের জন্য দৌড় দেন। অন্যদিকে, বলটা কোথায় গিয়েছে সেটাই জানতে পারেননি রঘুবংশী। ফলে তিনি থেমে যান। সেই সময় গ্রিন প্রায় হাফ ক্রিজ চলে গিয়েছিলেন। ফলে রান আউট হতে হয়।
তবে রঘুবংশী মনে করেছিলেন তিনিই আউট হয়েছেন। আর তা ভেবে নিয়ে তিনি মাঠের বাইরেও চলে আসছিলেন। সেই সময়ই তাঁকে আটকে দেন চতুর্থ আম্পায়ার। রিপ্লেতে দেখা যায়, গ্রিন ক্রস করার আগেই উইকেট ভেঙে দিয়েছেন মালিঙ্গা। আর তাই আউট দেওয়া হয় গ্রিনকে।
এই কারণে গ্রিনকে আউট দেওয়া হয়
এরপর বিষয়টি তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে যায়। রিপ্লেতে দেখা যায় যে, দুই ব্যাটসম্যানই ব্যাটসম্যানই এ এ ক কই লাইনে ছিলেন এবং ক্যামেরন গ্রিন আংক্রিশ রঘুবংশীকে অতিক্রম করেননি। এর মানে হলো, ক্যামেরন গ্রিন বোলারের প্রান্তের কাছাকাছি ছিলেন। ক্রিকেটের নিয়ম অনুযায়ী, এমন পরিস্থিতিতে যে ব্যাটসম্যান উইকেটের কাছাকাছি থাকেন, তাঁকেইরান আউট ঘোষণা করা হয়।
এই কারণেই ক্যামেরন গ্রিনকে আউট ঘোষণা করা হয়েছিল, আর অঙ্গক্রিশ রঘুবংশীকে দলে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। গ্রিন মাত্র ২ রান করেছিলেন। আইপিএল ২০২৬-এর মিনি-নিলামে কলকাতা নাইট রাইডার্স ২৫.২০ কোটি রুপিতে গ্রিনকে কিনে নেয়। এই ম্যাচেও গ্রিন বোলিং করেননি, শুধুমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবেই খেলেছেন।