
প্রবল দারিদ্রের মধ্যে তাঁর বেড়ে ওঠা। বিহারের গোপালগঞ্জের শাকিবের কথা এখন গোটা দেশের মুখে। ছোট শহর থেকে উঠে আসা এই তরুণ বোলার। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে তাঁর চার উইকেট, তাঁর চারপাশের গোটা দুনিয়াটাই বদলে দিয়েছে। ৪ ওভারে মাত্র ২৪ রান করে ৪ উইকেট তুলে নেন তিনি।
একটা সময় দারিদ্রতার জন্য পরে খেলার মতো জুতোও কিনতে পারছিলেন না। সেই সময় ছেলের স্বপ্নপূরনে এগিয়ে আসেন তাঁর মা। গয়না বিক্রি করে কিনে দেন ক্রিকেট খেলার জুতো। একটি ভিডিওতে সাকিবের বাবা আলি আহমেদ হুসেন জানান, একটা সময় ছিল যখন তাঁর হাঁটুতে সমস্যা হচ্ছিল এবং খাবার কেনার মতো টাকাও তার কাছে ছিল না।
কেকেআর-এর শেয়ার করা একটি পুরোনো ভিডিওতে বিহারের ছেলে সাকিব তাঁর নিজের গল্প বলেছেন। একসময় তাঁর কাছে বোলিং জুতো কেনার টাকা ছিল না। কারণ সেগুলো কিনলে তাঁর পক্ষে দু'বেলা খাওয়ার জোটানোই অসম্ভব হয়ে যেত। মায়ের কাছে জুতো জোড়ার কথা বলে, কান্নায় ভেঙে পড়েন শাকিব। মা তাঁর গয়না বিক্রি করে তাকে জুতো কিনে দেন। একই ভিডিওতে সাকিবের বাবা আলি আহমেদ হুসেন জানান, একটা সময় ছিল যখন তার হাঁটুতে সমস্যা হচ্ছিল এবংখাবার কেনার মতো টাকাও তার কাছে ছিল না।
ঘরোয়া ক্রিকেটে সাকিবের পারফরম্যান্স ধারাবাহিকভাবে ভালো। তিনি ২০২৪ সালে বিহারের হয়ে ভালো পারফর্ম করার পর আইপিএল ২০২৪-এর জন্য কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) তাকে ২০ লাখ রুপিতে কিনে নেয়। তবে, তিনি সেই মরসুমে খেলার সুযোগ পাননি।
শাকিব সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চেয়েছিল
এই ভিডিওতে সাকিব জানিয়েছেন যে, পরিবারের অবস্থার উন্নতি করতে চেয়েছিলেন। যে কারণে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে চেয়েছিল। গোপালগঞ্জের সেনা মাঠে দৌড়াতে গেলে কয়েকজন সাকিবের বাবাকে তাকে ক্রিকেট খেলতে উৎসাহিত করার কথা বলেন। শুরুতে সে টেনিস বল দিয়ে খেলতেন শাকিব।
মুস্তাক আলিতেও দারুণ ছন্দে ছিলেন শাকিব
সৈয়দ মুশতাক আলি ট্রফিতে বিহারের হয়ে দুই ম্যাচে চার উইকেট নিয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স আইপিএল স্কাউটদের নজর কাড়েন। এর ফলস্বরূপ তিনি প্রথম বারের মতো চেন্নাই সুপার কিংসের নেট বোলার হন। এরপর তিনি কেকেআর এবং পরে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের হয়ে নির্বাচিত হন। আর হায়দরাবাদে এসেই স্বপ্নপূরণ হল তাঁর।