Advertisement

T20 World Cup India Match Boycott: ব্যান-বয়কট-শাস্তি, কড়া অ্যাকশনের প্রস্তুতি ICC-র, বড় বিপদে পাক ক্রিকেট?

T20 World Cup India Match Boycott: যদি ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ না খেলে পাকিস্তান, তাহলে সেই ম্যাচে ওয়াকওভার পাবে ভারত। পাকিস্তান পাবে শূন্য পয়েন্ট, পাশাপাশি নেট রান রেটে বড় ধাক্কা খেতে হবে। যার ফলে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায়ের আশঙ্কা তৈরি হবে।

Aajtak Bangla
  • দুবাই,
  • 02 Feb 2026,
  • अपडेटेड 8:47 PM IST

T20 World Cup India Match Boycott: টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলতে অস্বীকার করেছে পাকিস্তান। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মঙ্গলবার বা বুধবার জরুরি বৈঠক ডাকতে চলেছে আইসিসি। ওই বৈঠকেই পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

রবিবার পাকিস্তান সরকার তাদের সরকারি সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলের মাধ্যমে জানায়, ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচে নামবে না পাকিস্তান দল। তবে এখনও পর্যন্ত পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (PCB) আইসিসিকে কোনও লিখিত চিঠি পাঠায়নি। ফলে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও ঝুলে রয়েছে।

পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আলি আগা জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত সরকারের, বোর্ডের এখতিয়ারের বাইরে। তাই সিনিয়র দল সরকার যা নির্দেশ দেবে, সেটাই মেনে চলবে।

আরও পড়ুন

পিসিবি নেতৃত্বের নীরবতা
এই বিতর্কে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেননি পিসিবি চেয়ারম্যান ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি। যদিও আগে তিনি গোটা বিশ্বকাপ থেকেই সরে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। পরে সেই অবস্থান বদলে শুধু ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্তে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে, বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর যুক্তিতে।

কী থেকে শুরু বিতর্ক
সম্প্রতি বাংলাদেশ নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ভারতে খেলতে যেতে অস্বীকার করে। এর জেরে আইসিসি বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। সেই ঘটনার পর থেকেই পাকিস্তানের অবস্থান আরও কড়া হয়।

মাঠে নামলে কী ক্ষতি পাকিস্তানের
যদি ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ না খেলে পাকিস্তান, তাহলে সেই ম্যাচে ওয়াকওভার পাবে ভারত। পাকিস্তান পাবে শূন্য পয়েন্ট, পাশাপাশি নেট রান রেটে বড় ধাক্কা খেতে হবে। যার ফলে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায়ের আশঙ্কা তৈরি হবে।

সম্ভাব্য আইসিসি শাস্তি
ক্রিকেট মহলের মতে, পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্তের জেরে আইসিসি একাধিক কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে।
বিদেশি ক্রিকেটারদের পাকিস্তান সুপার লিগে (PSL) খেলায় নিষেধাজ্ঞা, আইসিসি রাজস্ব ভাণ্ডার থেকে পাকিস্তানের অংশ কমিয়ে দেওয়া, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হওয়ায় সম্প্রচারকারী সংস্থাকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ, এমনকি এশিয়া কাপ থেকে পাকিস্তানকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তও হতে পারে। দ্বিপাক্ষিক সিরিজ স্থগিত হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। আইসিসি ইতিমধ্যেই পিসিবিকে সতর্ক করে জানিয়েছে, সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ভেবে দেখা জরুরি।

Advertisement

সম্প্রচারকারী সংস্থার চাপ
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই বিশ্ব ক্রিকেটে সর্বোচ্চ দর্শকসংখ্যা ও বিপুল বিজ্ঞাপন আয়। গত এশিয়া কাপে এই দুই দলের ম্যাচ থেকে সম্প্রচারকারী সংস্থাগুলি হাজার কোটি টাকার ব্যবসা করেছিল। এই ম্যাচ বাতিল হলে সম্প্রচারকারীদের চাপ আইসিসির উপর আরও বাড়বে, যা পাকিস্তানের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

অতীতেও বয়কট, তবে এত বড় ম্যাচ নয়
আগেও বিশ্বকাপে নিরাপত্তা বা রাজনৈতিক কারণে ম্যাচ বয়কট হয়েছে। ১৯৯৬ সালে অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ শ্রীলঙ্কায় খেলেনি, ২০০৩ সালে ইংল্যান্ড জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে নামেনি। তবে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের মতো এত বড় ও বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ কখনও শেষ মুহূর্তে বয়কট হয়নি।


 

Read more!
Advertisement
Advertisement