Advertisement

RCB IPL Wining Factors 2026: না সুইং না স্লোয়ার, RCB-র এই মাস্টারস্ট্রোকেই কুপোকাত GT

RCB IPL Wining Factors 2026: ফাইনালে আরসিবির প্রধান রণকৌশলই ছিল অফ স্টাম্পের বাইরে এবং গুড লেংথের সামান্য পেছনে ক্রমাগত বল আছড়ে ফেলা, যাকে ক্রিকেটের ভাষায় বলা হয় ‘হার্ড লেংথ’। এই লাইনে বল পড়ার পর গুজরাতের ব্যাটাররা ফ্রন্টফুটে এসে ড্রাইভ খেলার কোনও সুযোগই পাননি।

RCB IPL Wining Factors 2026: না সুইং না স্লোয়ার, RCB-র এই মাস্টারস্ট্রোকেই কুপোকাত GTRCB IPL Wining Factors 2026: না সুইং না স্লোয়ার, RCB-র এই মাস্টারস্ট্রোকেই কুপোকাত GT
Aajtak Bangla
  • আহমেদাবাদ,
  • 01 Jun 2026,
  • अपडेटेड 12:23 AM IST

Royal Challengers Bengaluru Wins IPL Trophy:: মাস্টারক্লাস রণকৌশল আইপিএল (IPL 2026) মেগা ফাইনালের মহারণে গুজরাত টাইটান্সকে কার্যত শ্বাসরোধ করে মারল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। খাতা-কলমে গুজরাতের ব্যাটিং লাইন-আপ যতই শক্তিশালী হোক না কেন, ফাইনালে আরসিবির (RCB) পেসারদের নিখুঁত ডিসিপ্লিন আর বিষাক্ত ‘হার্ড লেংথ’-এর বু্যহে পড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে গেল তারা। মোতেরার নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের বাইশ গজে টস জিতে যখন আরসিবি অধিনায়ক রজত পাতিদার প্রথমে বোলিং করার সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তখনই বোঝা গিয়েছিল বোলারদের ওপর তাঁর ভরসা কতটা অবিচল। আর অধিনায়কের সেই আস্থার মর্যাদা দিয়ে ফাইনালে গুজরাতের হেভিওয়েট ব্যাটিংকে একপ্রকার পঙ্গু করে দিল বেঙ্গালুরুর পেস ব্যাটারি।

ফাইনালে আরসিবির প্রধান রণকৌশলই ছিল অফ স্টাম্পের বাইরে এবং গুড লেংথের সামান্য পেছনে ক্রমাগত বল আছড়ে ফেলা, যাকে ক্রিকেটের ভাষায় বলা হয় ‘হার্ড লেংথ’। এই লাইনে বল পড়ার পর গুজরাতের ব্যাটাররা ফ্রন্টফুটে এসে ড্রাইভ খেলার কোনও সুযোগই পাননি। শুভমন গিল থেকে শুরু করে টাইটান্সদের রথী-মহারথীরা ক্রমাগত ব্যাকফুটে খেলতে বাধ্য হন। শুরু থেকেই রান গতিতে এমন লোহার শিকল পরায় বেঙ্গালুরু, যা থেকে মুক্ত হওয়ার কোনও পথ খুঁজে পায়নি গুজরাত।

ভুবনেশ্বরের সুইং আর হ্যাজেলউডের বাউন্সে কুপোকাত টাইটান্স
গুজরাতের ইনিংসে প্রথম কুঠারাঘাতটি করেন অভিজ্ঞ ভুবনেশ্বর কুমার (Bhuvneshwar Kumar)। নতুন বলে তাঁর সুইং এবং নিখুঁত লাইন-লেন্থের জাদুতে শুরুতেই কোমর ভেঙে যায় গুজরাতের টপ অর্ডারের। পাওয়ার প্লে-তেই একের পর এক উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় টিম গুজরাত। শুরুর ধাক্কা সামলে মাঝের ওভারগুলোতে যখন টাইটান্সরা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে, ঠিক তখনই বল হাতে আগুন ঝরালেন অজি গতির জাদুকর জোশ হেজেলউড (Josh Hazlewood)। ফাইনালের মতো হাই-ভোল্টেজ ম্যাচের সমস্ত অভিজ্ঞতা ঢেলে দিয়ে হেজেলউড একের পর এক তীক্ষ্ণ বাউন্সার ও হার্ড লেংথ ডেলিভারিতে ব্যাটারদের বড় শট খেলার ডানা ছেঁটে দেন।

Advertisement

সিনিয়রদের এই মহোৎসবের দিনে বল হাতে যোগ্য সংগত করলেন তরুণ তুর্কি রাসিখ সালাম (Rasikh Salam)। মেগা ফাইনালের চরম মানসিক চাপকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এই যুব পেসার অত্যন্ত সংযত বোলিং করলেন এবং মাঝেমধ্যেই গুজরাতের প্রতিরোধ ভেঙে মহামূল্যবান উইকেট তুলে নিলেন। ফলে গুজরাতের ব্যাটাররা উইকেটে থিতু হওয়ার জন্য কোনও বড় পার্টনারশিপ বা জুটি গড়তেই পারেননি।

মাস্টারপ্ল্যানেই বাজিমাত আরসিবির
ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ম্যাচে আরসিবির জয় কেবল ভালো বোলিংয়ের জোরে আসেনি, এর পেছনে ছিল ড্রেসিংরুমের নিখুঁত হোমওয়ার্ক ও জবরদস্ত ব্লু-প্রিন্ট। গুজরাতের প্রতিটি ব্যাটারের শক্তিমত্তা এবং দুর্বলতাকে কাঁটছেঁড়া করে সেই অনুযায়ী ফিল্ডিং সাজিয়েছিলেন পাটিদার। ফিল্ড প্লেসমেন্ট এবং বোলিংয়ের এমন মারাত্মক যুগলবন্দির সামনে পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় দেখাল গুজরাতকে। ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ম্যাচ রেফারি বা আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের মতো খেলার রাশ নিজেদের হাতেই রেখেছিল বেঙ্গালুরু। ভুবনেশ্বর, হেজেলউড ও রাসিখের এই ত্রিমুখী কামড়েই মূলত আইপিএল ২০२৬-এর ট্রফি জয়ের ভিত তৈরি করে নিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement