
বিশ্বকাপের মাঝে ভারতীয় শিবিরে বড় ধাক্কা। পারিবারিক কারণে দলের সঙ্গ ছেড়ে বাড়ি গিয়েছেন রিঙ্কু সিং। তাঁর বাবা খানচাঁদ সিং গুরুতর অসুস্থ। ভর্তি রয়েছেন গ্রেটার নয়ডার এক হাসপাতালে। সেই কারণেই বাড়ি ফিরেছেন ওই ক্রিকেটার।
সুপার এইটের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পর ২৩ ফেব্রুয়ারি চেন্নাইয়ে পৌঁছন গৌতম গম্ভীররা। ২৬ তারিখ সেখানে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে খেলতে হবে সূর্যকুমার যাদবদের। তবে সূত্রের দাবি, মঙ্গলবার ভোরে বাড়ি যান রিঙ্কু। তাঁর বাবা এখন লাইফ সাপোর্টে আছেন।
জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে দলের অংশ রিঙ্কু হতে পারবেন কি না তা এখনই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। শোনা যাচ্ছে, সেদিন তাঁকে দলের ক্যাপ পরে মাঠে নাও দেখা যেতে পারে। কারণ মঙ্গলবার দলের অনুশীলনেও তাঁকে দেখা যায়নি।
২৬ তারিখের ম্যাচে রিঙ্কু না থাকলে ভারতীয় শিবির বড়সড় ধাক্কা খেতে পারে বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের দাবি, এই জিম্বাবোয়ে দল অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কার মতো শক্তিশালী দলকে হারিয়ে সুপার এইটে পৌঁছেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে সেট টিম নিয়ে খেলতে নামতে চাইবেন গম্ভীর-স্কাইরা। ভারসাম্য রেখে দল বানাতে চাইবেন। রিঙ্কু এই দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। শেষের ওভারগুলোতে বড় বড় হিট মারার দক্ষতা আছে তাঁর। বলও করতে পারেন। সবথেকে বড় কথা, ফিল্ডিং করতে নেমে দলের হয়ে অনেক রান বাঁচান।
এদিকে সিকান্দার রাজার নেতৃত্বাধীন জিম্বাবোয়ে দল সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হেরেছে। ফলে পরের ম্যাচেও তারা জয়ের জন্য ঝাঁপাবে। যদি রিঙ্কু ম্যাচে না খেলেন তাহলে তাঁর জায়গায় অক্ষর প্যাটেলকে সুযোগ দিতে পারে টিম। ভারতীয় সহ-অধিনায়ককে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে খেলানো হয়নি। এই সিদ্ধান্তের সমালোচনাও করা হয়েছিল অনেকের তরফে।
পরিস্থিতি বিবেচনা করে, ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে হলে ভারতকে তাদের দুটি খেলাই ভারী ব্যবধানে জিততে হবে।