
টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে ঝামেলায় জড়ালেন আর্শদীপ সিং ও ড্যারেল মিশেল। ২৫৬ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে বিরাট চাপে পড়ে যায় নিউজিল্যান্ড। তাদের ইনিংসের ১১তম ওভারে ঘটে এই ঘটনা।
কী ঘটেছে?
একটি নিচু ফুল টস একটু পেছনের দিকে টেনে আনেন, আর্শদীপ। বল ব্যাটে লেগে ফেরত চলে যায় তাঁর কাছেই। বল ধরেই ভারতের ফাস্ট বোলার সরাসরি মিচেলের শরীরে মারেন। এরপরও শুরুতে ক্ষমা চাইতেও রাজি ছিলেন না টিম ইন্ডিয়ার ফাস্ট বোলার। স্পষ্টতই ওভারের শুরুতে দুটি ছক্কা খাওয়ায় রেগে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে বল তাঁর গায়ে লাগতেই মিচেল রেগে যান, এরপরেই সূর্য ছুটে এসে দ্রুত মিচেলের কাছে গিয়ে ক্ষমা চান। আম্পায়ার রিচার্ড এলিংওয়ার্থও বেশ কিছুটা সময় আর্শদীপের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর আর্শদীপ ক্ষমা চেয়ে নেন। ওভার শেষ হওয়ার পরেও হাত মেলান দুই ক্রিকেটার।
চালকের আসনে টিম ইন্ডিয়া
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে টিম ইন্ডিয়ার শুরুটা দুর্দান্ত ছিল অভিষেক শর্মা এবং সঞ্জু স্যামসন। দুজনেই একটানা শুরু এনে দিয়েছিলেন এবং মাঝেমধ্যে কিছু ভালো শট খেলতেন। অভিষেককেও অন্যরকম মেজাজে দেখাচ্ছিল। তবে চতুর্থ ওভারে ফার্গুসন বল করতে আসেন এবং সেই ওভারে এই জুটি ২৪ রান করেন, যার ফলে ভারতের স্কোর ৫০ ছাড়িয়ে যায়। এরপর অভিষেক দায়িত্ব নেন এবং ১৮ বলে অর্ধশতক করেন। ছয় ওভারের পর ভারতের স্কোর ৯২। তবে, অষ্টম ওভারে টিম ইন্ডিয়া প্রথম ধাক্কা খায় যখন অভিষেক শর্মা রচিন রবীন্দ্রের বলে আউট হন।
অভিষেক ২১ বলে ৫২ রান করেন। কিন্তু এরই মধ্যে, টিম ইন্ডিয়া ৮ম ওভারে ১০০ রানের মাইলফলক অতিক্রম করে। এদিকে, ১১তম ওভারে সঞ্জু স্যামসন তার পঞ্চাশটি পূর্ণ করেন। সঞ্জু মাত্র ৩৩ বলে তার পঞ্চাশটি পূরণ করেন। এটি ছিল বিশ্বকাপে তার টানা তৃতীয় পঞ্চাশ। টিম ইন্ডিয়া ১৫তম ওভারে ২০০ রানের মাইলফলক অতিক্রম করে। একই ওভারে ২৩ বল নিয়ে ঈশানও একটি পঞ্চাশটি হাঁকান। ১৬তম ওভারে টিম ইন্ডিয়া আরেকটি ধাক্কা খায় যখন সঞ্জু ৪৬ বলে ৮৯ রান করে আউট হন।
কিন্তু একই ওভারে ঈশানও তার উইকেট হারান। কিষাণ ৫৪ রান করেন। একই ওভারে কোন রান না করেই আউট হন অধিনায়ক সূর্য। এর অর্থ হলো নিশাম এক ওভারে তিনটি উইকেট নেন। ভারতের স্কোর ১৬ ওভারে ২০৪/৪। কিন্তু তারপর হার্দিক পান্ডিয়া এবং তিলক ভার্মা দায়িত্ব নেন। কিন্তু ১৯তম ওভারে হার্দিক তার উইকেট হারান। ভারতের স্কোর ২২৬/৫। তারপর শিবম দুবে শেষ ওভারে নিশামের বিপক্ষে খেলেন। দুবে শেষ ওভারে ২৪ রান করেন।
চাপে নিউজিল্যান্ড
১৩০ রান করতে গিয়েই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে নিউজিল্যান্ড। এত বড় রানের বোঝা সামলাতে গিয়ে চাপে পড়তে হয় তাদের। একের পর এক উইকেট হারানোয় চাপ বাড়তে থাকে। ৩ ওভার বল করে ৩ উইকেট তুলে নেন অক্ষর প্যাটেল।