Advertisement

CAB Controversy: সৌরভের নেতৃত্বাধীন CAB-তে চূড়ান্ত অচলাবস্থা, ভোট হবে তো? ওদিকে দুর্নীতিরও অভিযোগ

চিঠিগুলিতে জেলাশাসকদের নির্দেশ, ৭০ বছরের উর্ধ্বে থাকা কোনও ব্যক্তি সিএবি নির্বাচনে লড়াই কিংবা অংশ নিতে পারবেন না। একই সঙ্গে যে সমস্ত আধিকারিকরা পদে থেকে ৯ বছরের মেয়াদ পূর্ণ করে ফেলেছেন, তাঁদের ভোটাধিকার পুরোপুরি খর্ব করতে হবে।

সিএবি ও সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় সিএবি ও সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 16 Sep 2026,
  • अपडेटेड 11:24 AM IST
  • ৬ জেলাশাসকের চিঠিতেই CAB-তে অচলাবস্থা
  • কী বলছেন সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়?
  • বয়স ভাঁড়ানোর দুর্নীতির অভিযোগটি ঠিক কী?

ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (CAB)-র বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন আদৌ হবে তো? CAB সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় তো দাবি করছেন, এ বার আইনি পথেই এগোনো হবে। কিন্তু আজ অর্থাত্‍ ১৬ সেপ্টেম্বরই তো মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। তাহলে কি ভোট পিছিয়ে যাবে? বার্ষিক সাধারণ সভাও হবে না? সব মিলিয়ে চূড়ান্ত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে সিএবি-তে। অন্যদিকে আবার ক্রিকেটারদের বয়স ভাঁড়ানোর মতো দুর্নীতির অভিযোগেও জর্জরিত সৌরভের নেতৃত্বাধীন সিএবি।

৬ জেলাশাসকের চিঠিতেই CAB-তে অচলাবস্থা

CAB-র বার্ষিক সাধারণ সভা ২৪ সেপ্টেম্বর হওয়ার কথা। ওই সভাতেই তিনটি পদে নির্বাচন হওয়ার কথা। সচিব, যুগ্মসচিব ও অ্যাপেক্স কাউন্সিলের একটি শূন্যস্থান। এরই মধ্যে ৬ জন জেলাশাসক চিঠি দিয়েছেন, নির্বাচন বন্ধ করার জন্য। কারণ লোঢা আইন মানা হচ্ছে না। চিঠিগুলিতে জেলাশাসকদের নির্দেশ, ৭০ বছরের উর্ধ্বে থাকা কোনও ব্যক্তি সিএবি নির্বাচনে লড়াই কিংবা অংশ নিতে পারবেন না। একই সঙ্গে যে সমস্ত আধিকারিকরা পদে থেকে ৯ বছরের মেয়াদ পূর্ণ করে ফেলেছেন, তাঁদের ভোটাধিকার পুরোপুরি খর্ব করতে হবে।

কী বলছেন সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়?

গোল বেঁধেছে ঠিক এখানেই। সৌরভের দাবি, স্টেট অ্যাসোসিয়েশন ও বিসিসিআই-এর নিয়ম আলাদা। দুটি আলাদা সংবিধান। ফলে আইনি পথেই এগোবে। সৌরভের কথায়, '৬ জন জেলাশাসক চিঠি পাঠিয়েছেন। নির্বাচন বন্ধ করার কথা লিখেছেন। তবে এজিএম আটকাবে না।' তা হলে সচিব, যুগ্মসচিব  ও অ্যাপেক্স কাউন্সিলের একটি শূন্যপদের কী হবে? সৌরভের বক্তব্য, 'সেগুলি ফাঁকা রেখেই এজিএম হবে। পরে প্রয়োজনে বিশেষ সাধারণ সভা করে নির্বাচন করা যেতে পারে।'

গতবারও জেলাশাসকদের চিঠিতেই নির্বাচন হয়নি

কিন্তু এটা কি আদৌ সম্ভব? লোঢা আইন মেনে এজিএমে প্রতিনিধিত্ব করার শর্তে যদি নির্বাচন আটকে যায়, তা হলে ওই একই নিয়মে বার্ষিক সাধারণ সভাই বা হবে কী করে? মাসখানেক আগে সিএবি-র এমার্জেন্সি সাধারণ সভাতেও ঠিক এই ইস্যুতেই যুগ্মসচিব পদের ভোট মুলতুবি রেখে দিতে বাধ্য হয়েছিল কর্তৃপক্ষ। সে বারও জেলাশাসকদের চিঠির ধাক্কাতেই স্থগিত হয়ে গিয়েছিল নির্বাচন। এ বারও এজিএম-এর মুখে একই অচলাবস্থা ফিরল। 

Advertisement

সিএবি সংবিধান অনুযায়ী, পদাধিকারীদের নির্বাচন পদ শূন্য হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে এবং অ্যাপেক্স কাউন্সিলের পদে ৪৫ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। যুগ্মসচিব ও অ্যাপেক্স কাউন্সিলের পদে ইস্তফার পর শূন্যস্থানের সেই মেয়াদকাল পেরিয়ে যাচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনভঙ্গ হয়েছে। এবার নির্বাচনও না করা গেলে সেটা আরও অবমাননার পর্যায়ে পৌঁছে যেতে পারে। এহেন পরিস্থিতিতে সিএবি-তে ভোট হবে কিনা তা নিয়ে বিস্তর ধোঁয়াশা। 

বয়স ভাঁড়ানোর দুর্নীতির অভিযোগটি ঠিক কী?

ভোট এবং বার্ষিক সাধারণসভা নিয়ে অচলাবস্থার মধ্যে সিএবি-র বিরুদ্ধে দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগও উঠেছে। কাশীপুর-বেলগাছিয়ার বিজেপি বিধায়ক রীতেশ তিওয়ারি অভিযোগ করেন, বয়স ভাঁড়ানোর অপরাধে BCCI এবং CAB কর্তৃক নির্বাসিত (যেমন রোহিত যাদব এবং রবি কুমার) ক্রিকেটারদের সিএবি-র বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে পুরস্কৃত ও সম্মানিত করা হয়েছে। অভিযোগ, বাংলার ঘরোয়া ক্রিকেটে অনেক ভিন রাজ্যের ও অনূর্ধ্ব স্তরের ক্রিকেটার ভুয়ো নথিপত্র দিয়ে বয়স ভাঁড়িয়ে খেলছেন, যার ফলে প্রকৃত তরুণ ক্রিকেটাররা সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

বিতর্কে জর্জরিত সৌরভ সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, 'আমি বিধায়ক রীতেশ তিওয়ারিকে ২০১৭ সাল থেকে চিনি। বার্ষিক অনুষ্ঠানে যে সমস্ত পুরস্কার দেওয়া হয়, তা গত বছরের উপর ভিত্তি করে বয়স ভাঁড়ানো বন্ধ করতে ভারতীয় বোর্ড আধার আপডেট সিস্টেম চালু করেছে। যাতে জাল জন্ম সার্টিফিকেট ধরা যায়। সিএবি-ই প্রথমে খুঁজে বার করে, রোহিত যাদব এবং রবি কুমারের বয়সে গরমিল রয়েছে। তার পর আমরা সেটা বোর্ডকে জানাই। সিএবি-র স্বচ্ছ নিয়ম রয়েছে বয়স যাচাই নিয়ে। আমরা কিন্তু রোহিত-রবি কুমার কাউকেই প্রাথমিক দলে রাখিনি। শুধু এরা নয়, বহু প্লেয়ার যারা বয়স ভাঁড়িয়ে ধরা পড়েছে। তারা বাদ পড়েছে। যারা যারা ধরা পড়ছে, তাদের খেলতে দেওয়া হচ্ছে না।'

Read more!
Advertisement
Advertisement