
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভারত ০-৪ ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে। এই পরাজয়ের পর সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ছিল ফাইনাল ম্যাচ থেকে ১৫ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান বৈভব সূর্যবংশীর বাদ পড়া।
ম্যাচ শেষে অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন। বাজে পারফরম্যান্সের কারণে সিরিজের প্রথম ম্যাচের পর সঞ্জু স্যামসনকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। তার পরিবর্তে বৈভব সূর্যবংশী মাঠে নামেন এবং পরবর্তী তিনটি ম্যাচ খেলেন। তবে, শেষ ম্যাচে টিম ম্যানেজমেন্ট আরেকটি পরিবর্তন আনে, বৈভবকে বাদ দিয়ে সঞ্জু স্যামসনকে দলে ফিরিয়ে আনে। ম্যাচ-পরবর্তী সব্বাদ সম্মেলনে শ্রেয়াস আইয়ার জানান যে, পরিস্থিতি এবং সঠিক সমন্বয়ের ওপর ভিত্তি করেই দল এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তিনি বলেন, 'আমরা মনে করেছিলাম যে এই পরিস্থিতির জন্য এ টাই সেরা সমন্বয় হবে। আমরা অভিষেক শর্মার সঙ্গে একজন ডানহাতি ব্যাটসম্যানকে খেলাতে চেয়েছিলাম। এই সিদ্ধান্তের পেছনে এ টাই ছিল সবচেয়ে বড় কারণ।' শ্রেয়াস সঞ্জু স্যামসনকে সমর্থন করে বলেন, 'সঞ্জু একজন দুর্দান্ত ব্যাটার। তিনি অতীতে ভারতের হয়ে অনেক সিরিজ জিতেছেন। তাই আমরা মনে করেছি যে এই ম্যাচে তার অভিজ্ঞতা দলের জন্য সহায়ক হবে।'
দলে ডানহাতি ব্যাটসম্যানের অভাব
শ্রেয়াস আইয়ারও স্বীকার করেছেন যে ভারতীয় ব্যাটিং অর্ডারে ডানহাতি ব্যাটসম্যানের অভাব ছিল। চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে শীর্ষ আট ব্যাটসম্যানের মধ্যে তিনিই ছিলেন একমাত্র ডানহাতি ব্যাটসম্যান। এর ফলেই ফাইনাল ম্যাচের দলে সঞ্জু স্যামসন এবং সূর্যংশ শেডগেকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন
তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্নও উঠছে। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে, টিম ম্যানেজমেন্টের যদি একজন ডানহাতি ব্যাটসম্যানের প্রয়োজনই থাকতো, তাহলে এই পরিবর্তনটি আগে করা হয়নি কেন। অন্যদিকে, অনেকেই মনে করেছিলেন যে মাত্র তিনটি ম্যাচের পরেই বৈভব সূর্যবংশীকে বাদ দেওয়াটা অন্যায্য ছিল, বিশেষ করে যখন তিনি জিম্বাবুয়ে সফরের জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পুরো সিরিজ জুড়েই ভারতীয় ব্যাটিং লাইন-আপ প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয় এবং এইঘন ঘন পরিবর্তন দলের পারফরম্যান্সকে প্রভাবিত করে।