
ডায়মন্ড হারবার এফসিকে (Diamond Harbour FC) রেখেই এ বার আইএসএল (ISL) অনুষ্ঠিত হবে বলে জানালো ক্লাব জোট। বাংলায় রাজনৈতিক পালা বদলের পর, ১৪ দলের আইএসএল হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা গিয়েছিল। ডুরান্ড কাপে জায়গা হয়নি সাংসদ অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) ডায়মন্ড হারবার ক্লাবের। কলকাতা লিগেও তাঁরা খেলবেন কিনা সে ব্যাপারে স্পষ্ট ইঙ্গিত মেলেনি।
দুই মাসের বেতন বাকি ফুটবলারদের
এর মধ্যেই বুধবার নয়াদিল্লিতে ক্লাব জোটের তিন কর্তাকে পাশে নিয়ে প্রেস মিটে ১৪ দলের আইএসএল আয়োজনের কথাই বলেছেন অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনের ডেপুটি জেনারেল সেক্রেটারি এম সত্যনারায়ণ। কিন্তু এই মুহূর্তে ডায়মন্ড হারবার এফসি বেহাল অবস্থায়। টিমের প্রায় সকলেরই দু'মাসের বেতন বাকি। ভিনরাজ্যের ফুটবলাররা বকেয়া ভুলে 'নো অবজেকশন' সার্টিফিকেট নিয়ে টিম ছেড়েছেন। জনা কুড়ি বাংলার ফুটবলারের সঙ্গে জনা দশেক ক্লাব কর্মী অথৈ জলে। তাঁরা না পেয়েছেন বকেয়া টাকা। না পেয়েছেন 'নো অবজেকশন সার্টিফিকেট।
NOC না দেওয়ার অভিযোগ
এই ফুটবলারদের অভিযোগ, তাঁদের বলা হয়েছে, ডায়মন্ড হারবার 'নো অবজেকশন' দেবে, যদি বেতন বাকি নেই এই মর্মে তাঁরা লিখিতভাবে দেন। এই অভিযোগ কতটা সত্যি। এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসার জন্য ক্লাবের অন্যতম কর্তা আকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করা হলে তিনি ফোন ধরেননি। শোনা যাচ্ছে, আইএসএলের জন্য ডায়মন্ড হারবার ইনভেস্টর খুঁজছে। তবে ক্লাবের পুরো শেয়ার তারা ছাড়তে নারাজ। এই অবস্থায় তাই আইএসএলে তাদের খেলা প্রায় অসম্ভব।
আর্থিক অবস্থা খারাপ চার ক্লাবের
আগামী চার বছর ক্লাব জোটই আইএসএল চালাবে। তার জন্য প্রথম বছর ১৪ ক্লাবকে প্রথম বছরের জন্য দুটো ইনস্টলমেন্টে দিতে হবে ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকা। সত্যনারায়ণ বলেছেন, ক্লাবগুলোকে চিঠি দিয়ে এই টাকা দেওয়ার ব্যাপারটা ২৫ জুলাইয়ের মধ্য নিশ্চিত করবেন। শুধু ডায়মন্ড হারবার নয়, এই মুহূর্তে ইন্টার কাশী, কেরালা ব্লাস্টার্স আর ওডিশা এফসিও টাকা দেওয়ার দেওয়ার জায়গায় নেই।
এ বার আইএসএলে ওসিআই (ওভারসিজ সিটিজেন অফ ইন্ডিয়া) কোটা বাধ্যতামূলক করা হয়নি। আগের মতোই ৬ জন বিদেশি সই করিয়ে ৪ জনকে একসঙ্গে খেলানো যাবে। প্রস্তাবিত পুরো ৯০ মিনিট। ভারতীয় 'নাম্বার নাইন' খেলানোও বাধ্যতামূলক করা হয়নি। খুব শীঘ্রই আইএসএলের স্পনসর ও ব্রডকাস্টিং পার্টনার বাছার জন্য টেন্ডার ডাকবে ক্লাব জোটের লিগ পরিচালন কমিটি।