
ভারতীয় ফুটবলে রোডম্যাপের অভাব ক্রমশ চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আগামী ১৫ জুলাই থেকেই শুরু হওয়ার সম্ভাবনা ডুরান্ড কাপের। সেক্ষেত্রে প্রাক-মরসুমের জন্য প্রয়োজন অন্তত চার সপ্তাহ। কিন্তু যতক্ষণ না রোডম্যাপ নির্ধারিত হচ্ছে ততক্ষণ দল গড়তেই হিমশিম খাচ্ছে আইএসএল ক্লাবগুলি।
ইস্টবেঙ্গলের ভবিষ্যৎ কী?
রোডম্যাপ না থাকার দরুন অস্কারের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তার মেঘ ইস্টবেঙ্গল শিবিরে। সোমবারই ইমামি-ইস্টবেঙ্গল বৈঠকেই চূড়ান্ত শিলমোহর পড়তে পারে অস্কারের বিষয়ে। অস্কারকে হারালে তারপর নতুন কোচ নির্বাচনের আগেও রোডম্যাপের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে।মোহনবাগানেও লোবেরা পরবর্তী কোচ নির্বাচন করতে তাকিয়ে থাকতে হবে সেই রোডম্যাপের দিকে। কারণ বাগানের শর্টলিস্টে থাকা কোচও চাইছেন আগে লিগ সম্পর্কে পুরো ধারণা পেতে।
মোহনবাগানের দল গঠন নিয়েও সমস্যা
ফুটবলার নির্বাচনের ক্ষেত্রেও সেই একই অসুবিধা। মরসুমে কটা ম্যাচ খেলতে হবে সেই বিষয়ে জেনে তবেই চুক্তির বিষয়ে এগোতে চাইছে ক্লাবগুলি। আর যতক্ষণ চুক্তিই না হচ্ছে ততক্ষণে কবে হবে প্রাক-মরসুম, কী করে নামা হবে ডুরান্ড কাপে, সেই নিয়ে চিন্তিত কম-বেশি সব দলই। এদিকে কলকাতা লিগে মোহনবাগানের হট-সিটে কে বসতে চলেছেন তা আজই চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা। ডেগি কার্ডোজোকে ছেঁটে ফেলার পর বাগান ম্যানেজমেন্ট বাস্তবেই কোচ করেন কিনা সেটাই দেখার।
তবে শুধু কলকাতার দুই ক্লাবই নয়, বিভিন্ন ক্লাবেই দেখা যাচ্ছে একই চিত্র। অন্য দলগুলোর ভবিষ্যৎ কী হবে সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। প্রশ্ন উঠেছে ঠিক কবে রোড ম্যাপ সরকারিভাবে জানাবে এআইএফএফ? গত মরসুমেও এই সমস্যায় ভুগতে হয়েছে দলগুলোকে। আইএসএল শেষ মুহূর্তে আয়োজিত হলেও, তা হয়েছে এক লেগের। অর্থাৎ কম ম্যাচ খেলা হয়েছে। এবার তাই আগে থেকেই তৎপর হয়েছিল দেশের ফুটবল নিয়ামক সংস্থা। তবে তাতেও আশার আলো এখনও দেখা যাচ্ছে না। তবে ফুটবলের সঙ্গে জড়িত সকলেরই আশা দ্রুত এই জট খুলবে। কমার্শিয়াল পার্টনার পেয়ে যাবে এআইএফএফ।